Tuesday, November 24, 2020

অন্তরে বাহিরে - বন্দনা রায়ের কাব্যসঙ্কলন

 বন্দনা রায় বিহার বাঙালি সমিতিতে পাটনার পরিচিত নাম। কয়েক বছর আগে পাটনার রামমোহন রায় সেমিনারিতে অনুষ্ঠিত বিহার বাংলা সাহিত্য সম্মেলনে ছিলেন, কবিতা পড়েছিলেন। এই বয়সেও ছুটে গেছেন নন্দন কাননে, গুরুদক্ষিণা কর্মসূচিতে অংশ নেবেন বলে।

এখন বন্দনা রায়, (আমাদের বন্দনা বৌদি) কলকাতার বাসিন্দা। ওনার কবিতার বই সদ্য প্রকাশিত হল। অজস্র অভিনন্দন!



Saturday, November 21, 2020

এন আই সির প্রোফাইলে বাংলা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি

এন আই সির প্রোফাইলে বাংলা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি


১ নভেম্বর ১৯৫৬ মানভূম কে খণ্ডিত করে ধানবাদ ও পুরুলিয়া কে স্বতন্ত্র জেলা গঠন করা হয় । গ্রেটার বাংলার মানভূমের পুরুলিয়া কে পশ্চিম বঙ্গ ও ধানবাদ কে বিহারের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করা হয় । অধুনা ঝাড়খণ্ডের ধানবাদের বাঙালিরা পুরুষানুক্রমে বসবাসকারী। এযাবৎ এখানকার জমির রেকর্ড বাংলা ভাষায় । ধানবাদ জেলার এন আই সির প্রোফাইলে ভাষা হিন্দি ও সাঁতালি দেখান হয়েছে । সংখ্যাগরিষ্ঠ জনগণের ভাষা বাংলা কে উদ্দেশ্য প্রণোদিত ভাবে লোপাট করা হয়েছে । রাজ্যের একটি ভাষা সংগঠন, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতি, ঝাড়খন্ড, এন আই সির প্রোফাইলে বাংলা ভাষাকে অন্তর্ভুক্ত করার জন্য মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেনের কাছে দাবি করেছে।ঠিক তার পাশাপাশি ধানবাদের কর্ম সূত্রে বসবাসকারী শহর কেন্দ্রিক বাঙালি নিজেদের প্রবাসী বলছেন ।প্রবাসীর দাবি করে ওই সব লোকেরা বাংলা ভাষার দাবি কে দুর্বল করার চক্রান্ত চালাচ্ছে ,রাজ্যের বাঙালিদের এই চক্রান্তের বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে হবে ।

 প্রতিবেদক - গৌতম চট্টোপাধ্যায়, দুমকা ।

প্রয়াত: পদ্মশ্রী দিগম্বর হাঁসদা

প্রয়াত: পদ্মশ্রী দিগম্বর হাঁসদা


পদ্মশ্রী দিগম্বর হাঁসদা চিরতরে ঘুমের দেশে চলে গেলেন । তার প্রয়াণ রাজ্যের অপূরণীয় ক্ষতি, বলেছেন ভারত সেবাশ্রম সংঘের দুমকা শাখার স্বামী নিত্যব্রতা নন্দ মহারাজ ।মঙ্গলবার জামসেদপুর এর করণডিহির বাড়ি তে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন । সংঘের দুমকা শাখার আবাসিক বিদ্যালয়ে শোকসভার আয়োজন করে স্বামী  নিত্যব্রতা নন্দ মহারাজ, বুদ্ধদেব গঙ্গোপাধ্যায়, সুদীপ চক্রবর্তী, প্রশান্ত কুমার মুর্মু ,চন্দন বেসরা, জয়দেব দে, সমারেন্দ্র গাঙ্গুলি, হারেন্দ্র কুমার মাঝি, রূপলাল বাস্কি, অভিনন্দন মুর্মু, গৌরী শঙ্কর যাদব ,আবাসিক বিদ্যালয়ের ছাত্র ও বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতি ,ঝাড়খণ্ডের স্টেট সেক্রেটারি গৌতম চট্টোপাধ্যায় ডিগম্বর বাবুর চিত্রে মাল্যারপন করে উনার সেবা মুলক কাজের বিশাল কর্মকান্ড কে তুলে ধরেন। কেন্দ্র সরকারের ন্যায় মন্ত্রণালয়ের অনুরোধে উনি ভারতীয় সংবিধানের সাঁতালি ভাষায় অনুবাদ করেন, কম্পোজের কাজ হয়েছিল এই আশ্রমে। আশ্রমের কালিদাস মুর্মু কম্পোজ করেছেন ।২০১৭ সালে কেন্দ্র সরকার দিগম্বর বাবুকে পদ্মশ্রী উপাধিতে বিভূষিত করে । বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি সমিতির পক্ষ থেকে আয়োজিত আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ র অনুষ্ঠানে উনি প্রধান অতিথি রূপে অংশ নেন । ঐ অনুষ্ঠানে সমিতির পক্ষ থেকে জাতীয় শিক্ষক সম্মানিত শিক্ষিকা ভারতী চট্টোপাধ্যায় মানপত্র দিয়ে সম্মানিত করেন । সমিতির সেক্রেটারি গৌতম বাবু বলেছেন উনি সাঁতাল সমাজে রবীন্দ্র ভাবনার প্রচার প্রসারের কাজ করেছেন ।

প্রতিবেদন - গৌতম চট্টোপাধ্যায়

সফর: মদন সরকার

 সফর

ওড়িশা রাজ্য ঘেঁসা সারাইকেলা জেলার ভান্ডারী সাই গ্রামে দুদিন রাত্রিবাসের অভিজ্ঞতা। জ্ঞান বিজ্ঞান সমিতির দুই দিনের সন্মেলনে অংশ গ্রহণ করার জন্য এখানে আসা।

এই গ্রামে কুর্মি মাহাত, নাপিত, আচার্য, হো, কড়া, তাঁতী, লোহার, ইত্যাদি জাতি - সম্প্রদায়ের লোকেদের বসবাস। এনাদের সকলের বোল চালের  ভাষা ওড়িয়া ও বাংলা। মাহাত ও আদিবাসীদের মধ্যে ভাবের আদান প্রদান বাংলা ভাষাতে হয় বাকিদের মধ্যে ওড়িয়া’তে। ঝাড়খণ্ড আলাদা রাজ্য হওয়ার আগে এই সব অঞ্চলের ছেলেমেয়েদের  স্কুলে মুখ্যতঃ  ওড়িয়া  ও  কিছু কিছু জায়গায় বাংলা ভাষার  মাধ্যমে লেখাপড়া শেখানোর ব্যবস্থা ছিল। কিন্তু দুঃখের বিষয়  আজ এখানকার সব স্কুল হিন্দিভাষী স্কুলে রূপান্তরিত। এর জন্য দায়ী স্থানীয় লোকেদের উদাসীনতা ও তার সাথে সাথে  শিক্ষার দায়ভার প্রশাসকদের হাতে (যারা প্রায় সকলেই অ - ঝাড়খখন্ডী ও হিন্দি প্রান্তের বাসিন্দা) তুলে দিয়ে নিশ্চিন্ত থাকা।

ওড়িয়া ভাষার নিধন নিশ্চিত জেনে ওড়িশা সরকার সংজ্ঞান নিয়ে এখানকার স্কুলগুলিতে মাসিক 6000 টাকা বেতনে একটি করে ওড়িয়া ভাষার শিক্ষক নিযুক্তি করেছে (গ্রামের বাসিন্দা পূর্ব সরপঞ্চ রাজা রাম মাহাতোর রিপোর্ট অনুসারে)। কিন্তু এমন কোনো উদ্যোগ বাংলা ভাষা বাঁচাতে পশ্চিমবঙ্গ সরকার আজ অব্দি নেয়নি। যার ফলে আজ পশ্চিম বাংলা লাগোয়া ঝাড়খণ্ড ও বিহার রাজ্যের জেলাগুলো সহ স্বয়ং পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য থেকেও বাংলা বিতাড়িত হওয়ার মুখে।

আরোও জানাই যে এই সব অঞ্চলের মানুষ ধর্ম প্রিয়। ওড়িয়া ভাষাভাষী লোকেদের বাড়িতেও কিন্তু বাংলা ভাষায় লেখা  ধর্ম গ্রন্থ (যেমন রামায়ন, মহাভারত, বেদ, পুরান, ইত্যাদি) এখনও প্রিয়। তাদের সেই ধর্ম প্রিয়তাকে স্থানীয় বিত্তবান বা ধনিকসম্প্রদায় ও তাদের বিত্ত - পোশিত রাজনীতিবিদেরা মুসলিম ধর্মে বিশ্বাসী লোকেদের বিরুদ্ধে উস্কানি দিয়ে তাদের কাছে নিয়ে গদি দখল করতে মেতে আছে। জনগণও দিশা হারা হয়ে, না বুঝেই তাদের চক্রান্তে পড়ে  হাবুডুবু খাচ্ছেন। এই অঞ্চলের লোকেদের মাতৃভাষা  (বাংলা ও উড়িয়া) কে বাঁচাবার জন্য আজ এখানে না কোনো পার্টি আছে আর না কোনো সামাজিক সংগঠন।

এখানকার সকল স্কুল কলেজে আগেকার মত আবার করে  মাতৃভাষার মাধ্যমে পড়াশুনা করার ব্যবস্থাকে ফিরিয়ে  আনার জন্য স্থানীয় জনগণদেরকে বোঝানোর ও ব্যাপক আন্দোলন গড়ে তোলার জন্য ভারত জ্ঞান বিজ্ঞান সমিতি সুনির্দিষ্ট কর্মসূচি নিয়েছে। এই ঐতিহাসিক কাজে  সকল শুভাকাঙ্ক্ষী লোকজনের কাছ থেকে যথাসম্ভব সহযোগিতা কামনা করি।

প্রতিবেদন – মদন সরকার

রক্তদান: আকাশ কুমার দাস

বিহার বাঙালি সমিতির সদস্য আকাশ কুমার দাস বিশাম্বর চৌক ,লাল গঞ্জ,পুনিয়া -থেলেসিমিয়া গ্রস্থ রাজেশ কুমার- সিফাহি টোলা, পূর্ণিয়ার ফেসবুক কমেন্টে  o+  রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করল আকাশ কুমার দাস কে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই এবং ব্রজেশ কুমারের স্বাস্থ্য কামনা করি।




বাংলা ভাষা : ভারত জ্ঞান বিজ্ঞান সমিতি সরাইকেল্লাতে আয়োজিত সম্মেলন

 






Monday, November 16, 2020

রক্তদান: বিহার বাঙালি সমিতি, পূর্ণিয়া শাখা

 বানেলি পার্টি, বীরপুর, জেলা সুপোল:- নিবাসী নয়ন দাস কে এক ইউনিট রক্ত বাঙালি সমিতির তরফ থেকে ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে , নয়ন দাসের সুস্থ কামনা করি।



প্রতিবেদন - নারায়ণ চন্দ্র দাস

ফেলুদা = এক বিরল ব্যক্তিত্ব: প্রসেনজিৎ দত্ত

 ফেলুদা = এক বিরল ব্যক্তিত্ব 


                                               // প্রসেনজিৎ দত্ত //


আলোর উৎসবে

হঠাৎ এল অন্ধকার,

মহাপ্রস্থানের পথে

বাঙালির রাজকুমার। 


বুকের কপাট উত্তাল হল

ঠিক দুপুরবেলা,

খেলবে না কেউ শব্দ নিয়ে

চৌখুপি ঘরে এক্কাদোক্কা খেলা।


বিষন্ন ছাপ, পড়ে থাকে

জলস্মৃতি,

অরণ্যে নয় কাটাও তুমি

স্বর্গে দিনরাত্রি।


রূপোলী পর্দা,মঞ্চ কিংবা

কানে বাজবে না তোমার সুখপাঠ্য,

বাঙালিকে তুমি আজীবন দিলে,

সৃষ্টিশীল দেবভোগ্য।


আচরণে ,ব্যবহারে, কথাবার্তায়

পুরোদস্তুর ক্লাসিক,

মেধায় মননে মার্জিত তুমি

ছিলে অতি রোমান্টিক।


মৃত্যুর অভিঘাত প্রচন্ড

বাড়িয়ে দেয় অস্তিত্ব ,

বিশেষত মানুষটা যদি হন

ফেলুদার মত এক বিরল ব্যক্তিত্ব।


বিজয়া সম্মেলনী: বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশন, দিল্লী

 সুধী,

বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশন, দিল্লী প্রতিবছর শারদোৎসব শেষে অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের নিয়ে বিজয়া সম্মিলনীর আয়োজন করে থাকে।

এই উৎসবের মাধ্যমে আমরা মানুষে মানুষে সম্প্রীতি ও সৌহার্দ্যপূর্ণ সহাবস্থানের চেষ্টা করি। একে অপরের সঙ্গে মিলিত আনন্দকে ভাগ করে নিয়ে খুশিতে মেতে উঠি। জীবন দেবতার আশীর্বাদ নিয়ে আগামী বছরের জন্য আবার নতুন উদ্যমে পথচলা শুরু করি। বর্তমানে দিল্লীর করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকলেও সংক্রমণ বেশ কিছু জায়গায় বাড়ছে। আবার সুস্থতার হার যথেষ্ট সংখ্যক বেড়েছে।

এমতাবস্থায় মানুষের মধ্যে অহেতুক ভয় না ছড়ায় তার জন্য আমরা সাবধানতার সঙ্গে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হবে।

ঘরবন্দী মানুষকে বাইরের পরিবেশের সঙ্গে তাল মিলিয়ে চলার সাহস জোগাতে আমাদের এই প্রয়াস।

সেই অনুযায়ী আগামী ২১শে নভেম্বর ২০২০, শনিবার সন্ধ্যা ৬:০০টায় মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহকে সম্পূর্ণ স্যানিটাইজ করে যথাবিহিত নিয়ম মেনে এবছর বিজয়া সম্মেলনীর আয়োজন করা হচ্ছে।সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে নৃত্য,  সঙ্গীত, আবৃত্তির আয়োজন করা হয়েছে।

বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে হ্যান্ড স্যানিটাইজারের ও অন্যান্য ডিসইনফেকশনের সুব্যবস্থা থাকবে। তবুও আপনারা নিজের কাছে এই ব্যবস্থা রাখবেন।

বর্তমান পরিস্থিতিতে সরকারের নির্দেশ অনুসারে আমরা একশো জন সদস্যকে এই অনুষ্ঠানে সামিল করতে পারবো।

আপনাদের সকলের সহযোগিতায় এই প্রয়াস সফল হোক এই কামনা করি।

মাস্ক মাস্ট। 

তপন সেনগুপ্ত

সাধারণ সম্পাদক

 বিহার বাঙালি সমিতি পূর্ণিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই গুরত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের আন...