Sunday, March 28, 2021

দোল উৎসব: দুমকা জেলার রানিশ্বরের মহিষবাথান গ্রামে

দুমকা জেলায় রবিবার (২৮.০৩.২০২১) বাংলা পঞ্জিকা মতে সাড়ম্বরে পালিত হল দোল উৎসব । জেলার বিভিন্ন স্থানে বসন্ত উৎসবের মধ্য দিয়ে পালিত হল হোলি । রানিশ্বরের মহিষবাথান গ্রামের গৌর মন্দিরে গুরুজন দের পায়ে আবির দিয়ে শুরু হয় বসন্ত উৎসব । ইউথ এসোসিয়েশন ফর রুরেল ডেভলপমেন্ট আসিস্টেন্ট সংস্থার সচিব অনিমেষ মণ্ডলের ব্যবস্থাপনায় রবীন্দ্র নিত্য ও ডান্ডিয়া নাচ এর মধ্য দিয়ে সোমা সাহা, চিত্রা, কোয়েল, নন্দিতা, অর্পিতা ,শিউলি, বর্ষা সাহা , শ্রীপর্না, সঞ্চিতা আরাধ্য, ডলি, সুস্মিতা, জবা, ইন্দ্রানী, বর্ণালী মণ্ডল ,করুণা, কৃষ্ণা, মৌসুমী, সাতি, নিদ্রা শোভা যাত্রা করে গ্রাম পরিক্রমা করে গ্রামের বিভিন্ন মন্দির চত্বর ,হাট পরিসরের  হেতমপুর স্টেটের রাজার প্রতিষ্ঠিত পার্থ সারথি মন্দিরে রবীন্দ্র নৃত্য ও ডান্ডিয়া নাচ পরিবেশন করে ।গৌর মন্দিরে  নীল দিগন্তে, গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করা হয়। অনুষ্ঠানে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতি, ঝাড়খণ্ডের সচিব গৌতম চট্টোপাধ্যায়, জয়দেব চক্রবর্তী ,ঋতু সাহা, সংগীতা কুনুই, অদিতি বাগতি, পবন মণ্ডল, কার্তিক মণ্ডল উপস্থিত থেকে আয়োজক ও নৃত্য শিল্পীদের উৎসাহিত করেছেন ।










Friday, March 26, 2021

দোল উৎসব: হরিসভা স্কুল প্রাঙ্গণে

আগামী ২৮সে মার্চ ২০২১ (রবিবার) সন্ধ্যা ৬.০০ টায় স্থানীয় হরিসভা স্কুল প্রাঙ্গণে দোল উৎসবের আয়োজন করা হয়েছে। আপনাদের সকলকে উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানাই।


ভবদীয়,


গোপাল চন্দ্র রায়

সভাপতি

উজ্জ্বল কুমার দাস

সচিব

হরিভক্তি প্রদয়ানি সভা,

মুজফ্ফরপুর।

বসন্ত উৎসব: ঝাড়খন্ড বাঙালি সমিতি, মধুপুর শাখা

 ঝাড়খন্ড বাঙালি সমিতির মধুপুর শাখার পক্ষ থেকে বৃহস্পতিবার সাড়ম্বরে পালিত হল বসন্ত উৎসব । বিদ্রোহ মিত্রের নেতৃত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে লক্ষী রানী দাস, নুপুর সুর, সাধনা মুখার্জি, মায়া গাঙ্গুলী, ছবি বোস, অনিতা ব্যানার্জি ,মিঠু দত্ত, রানী ব্যানার্জি, সম্পা তালুকদার, সুশান্ত মিত্র, প্রদীপ ভাদুড়ি ,ডলি বোস, সম্পা চক্রবর্তী, সোমা দত্ত, সৃজা সুর, নন্দিনী দাস, অপর্ণা ব্যানার্জি শ্রেয়া ঘোষাল একটি মানোগ্রাহী অনুষ্ঠান পরিবেশন করেন ।






দুমকা, রানিগ্রাম এর স্টেডিয়ামে পালিত হল বসন্ত উৎসব ।








বীরভূম লাগোয়া রানিশ্বর ব্লকে অধিকাংশ পরিবারের ছেলে মেয়েরা বাড়িতে সংগীত চর্চা করে । এখানে রানিগ্রাম এর স্টেডিয়ামে সপ্তাহে দুই দিন শনিবার ও রবিবার নৃত্যের ক্লাস হয় । বীরভূম জেলার সিউড়ির বিশিষ্ঠ নৃত্যাঙ্গনা ও শিক্ষিকা কুহেলি ঘোষ স্থানীয় বিভিন্ন স্কুলের ছাত্রী দের নৃত্যের প্রশিক্ষণ দেন । বৃহস্পতিবার রানিগ্রাম এর স্টেডিয়াম চত্বরে আয়োজিত বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানে কুহেলির ছাত্রীর দল রবীন্দ্র নৃত্য পরিবেশন করে । স্টেডিয়ামে দর্শক দের ঢল নামে । কুহেলি এখানে ১৫ জন ছাত্রী কে নৃত্যের ট্রেনিং দেন । পূর্বে রানিগ্রাম মিডিল স্কুলে ডান্স এর ক্লাস শুরু কারণ ওই স্কুলের ভারপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপিকা ভারতী চট্টোপাধ্যায় । ভারতী সেই সময় ক্লাস চালানোর জন্য নিজের পকেট থেকে নৃত্যের শিক্ষিকা কে আর্থিক সাহায্য করতেন । স্কুলের শতাব্দী সমারোহে  ২০০৮ এর অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি রূপে অংশ নেন তৎকালীন ডেপুটি কমিশনার প্রশান্ত কুমার । এখন কার ছাত্র ছাত্রী দের সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান এর ভূয়সী প্রসংশা করে বলেছিলেন দুমকা রাজ্যের উপরাজধানী, রানিশ্বর কে সাংস্কৃতিক উপরাজধানী বলা ভূল হবেনা । রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে সম্মানিত ভারতী ৩১জানুয়ারি ২০২০ অবসর নেওয়ার পর ওই স্কুলের প্রধান অধ্যাপক স্কুলে সংগীত ও নৃত্যের ক্লাস বন্ধ করে দেয় । স্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও অভিভাবকদের প্রচেষ্টায় স্টেডিয়ামে শুরু হয় ডান্স এর ক্লাস ।



কুহেলি ঘোষ


রাশি সিংহ

ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রী রাশি সিংহ বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র নৃত্য পরিবেশন করে মায়ের রান্না ঘরের পাঠশালা কে বিশ্ব বিদ্যালয় প্রমাণিত করেছে ।রানিশ্বর ব্লকের ভিএলডব্লু দেবেশ সিংহের কন্যা রাশি বীরভূম জেলার সিউড়ির ইংরেজি মিডিয়াম স্কুলের ছাত্রী ।প্রতিদিন এখন থেকে স্কুল বসে যাওয়া আসা করে লেখাপড়া করে ।বৃহস্পতিবার রানিগ্রামের স্টেডিয়ামে আয়োজিত বসন্ত উৎসবের অনুষ্ঠানে রবীন্দ্র নৃত্য পরিবেশন করে দর্শক দের আকৃষ্ট করেছে । বাবা দেবেশ অঙ্গিকা ভাষী ,মা জয়শ্রী সিংহ বাঙালি ।দেবেশ বলেছেন রাশির সংগীত,  নৃত্য শিক্ষার পেছনে তার মায়ের বিরাট ভূমিকা আছে ।ইংরেজি মাধ্যমে শিক্ষার সঙ্গে বাংলা ভাষা সংস্কৃতির চর্চা করে । ডান্স এর শিক্ষিকা কুহেলি ঘোষ বলেছেন রাশি নৃত্যের ক্ষেত্রে রাজ্যের মুখ উজ্জ্বল করবে ।

প্রতিবেদন - গৌতম চট্টোপাধ্যায়


চতুর্দশ বাংলা সিনে উৎসব: বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশন, দিল্লী

 গত ১৯, ২০, ২১শে মার্চ তিনদিনব্যাপী দিল্লির মুক্তধারা প্রেক্ষাগৃহে অনুষ্ঠিত হয় এই উৎসব। সরকারের নিয়মবিধি যথাবিহিত মেনে হল স্যানিটাইজ করার সুব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল। ১৯শে মার্চ সকাল ১১টা থেকে শুরু হয় চতুর্দশ বাংলা সিনে উৎসব।  সকাল ১২ টা থেকে রাত ৯.৩০ মি পর্যন্ত। 





এবারের বিষয় ‘শতবর্ষে সত্যজিৎ স্মরণে সৌমিত্র’। সাতটি পূর্ণ দৈর্ঘের সিনেমা, দুটি তথ্যচিত্র,  এক ঝাঁক তরুণ প্রজন্মের তৈরী ৯টি স্বল্পদৈর্ঘের  চলচ্চিত্র, এবং  যশস্বী পরিচালকদের আলাপ আলোচনা। এই চতুর্দশ বাংলা সিনে উৎসবের অনুষ্ঠানে উপস্থিত  ছিলেন শ্রদ্ধেয় স্বনামধন্য নাট্যকার ও অভিনেতা শ্রী ব্রাত্য বসু, বাঙালির অত্যন্ত প্রিয় অভিনেতা শ্রী আবির চট্টোপাধ্যায়। অভিনেত্রী নুসরত জাহান, এছাড়াও  আরও অনেক প্রিয় অভিনেতা ও অভিনেত্রীদের সমাগম ছিল। সঞ্চালনের দায়িত্বে ছিলেন বিশিষ্ট সঞ্চালিকা শ্রীমতী মধুমন্তী মৈত্র।



সাতটি পূর্ণ দৈর্ঘের সিনেমাঃ 

১. ছবিয়াল – শাশ্বত চ্যাটার্জি, শ্রাবন্তী চ্যাটার্জি 

২. ডিকশনারি – আবির চ্যাটার্জি, নুসরত জাহান 

৩. সুইজারল্যান্ড – আবির চ্যাটার্জি, রুক্মিণী মৈত্র 

৪. সহবাসে – অনুভব কাঞ্জিলাল, ঈশা সাহা 

৫. শ্লীলতাহানির পরে – সৌমিত্র চ্যাটার্জি, শ্রীলা মজুমদার

৬. বহমান – সৌমিত্র চ্যাটার্জি, ব্রাত্য বসু, অর্পিতা চ্যাটার্জি 

৭. বরুণবাবুর বন্ধু – সৌমিত্র চ্যাটার্জি, মাধবী মুখার্জি, অর্পিতা চ্যাটার্জি 

স্বল্পদৈর্ঘের চলচ্চিত্র 

১. আলুমনি মিট – নির্দেশনা রণদীপ মুখার্জী  

২. লাঠি - নির্দেশনা  গৌরব গাঙ্গুলি 

৩. ডুব সাঁতার - নির্দেশনা  মনসিজ বন্দ্যোপাধ্যায় 

৪. সতীন ঘর – নির্দেশনা রাজা চ্যাটার্জি 

৫. দি এন্ড - নির্দেশনা  মানস নন্দ এবং রাহুল মুখার্জী   

৬. মুঝে ভি উড়নে দো নির্দেশনা  আদিত্য কুমার      

৭. এভরি ৬৮ মিনিটস - নির্দেশনা অনিন্দিতা সর্বাধিকারী

বেঙ্গল অ্যাসোসিয়েশনের নিজস্ব পরিবেশনায় দুটি তথ্যচিত্র 

স্মরণে সৌমিত্র,

এবং শতবর্ষে সত্যজিৎ।

এই চতুর্দশ সিনে  উৎসবে প্রদর্শিত বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্র এখনো মুক্তি পায়নি। সেই সঙ্গে ছিল আলোচনা এবং তারকাদের মুখোমুখি  অনুষ্ঠান।

বর্তমান সরকারী সমস্ত নিয়ম-কানুন মেনে আপনাদের জন্য চতুর্দশ বাংলা সিনে উৎসবের জন্য মুক্তধারা সেজে উঠেছিল।

হলে প্রবেশের সময় মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক করা হয়েছিল।

প্রতিবেদন - তপন সেনগুপ্ত

Wednesday, March 24, 2021

ভাষিক-সম্রাজ্যবাদ না একুশে ফেব্রুয়ারি: মহীদাস ভট্টাচার্য্য

 ভাষিক-সম্রাজ্যবাদ না একুশে ফেব্রুয়ারি

মহীদাস ভট্টাচার্য্য

যাদবপুর ইণ্ডিয়ান এসোসিয়েশন ফর দ্য কাল্টিভেশন অফ সায়েন্স এদেশে আধুনিক বিজ্ঞানের সূচনা করেছিল 1876-এ । গোটা ব্যাপারটি বঙ্গভাষীর কল্পনাপ্রসূত, তাঁদেরই অবদানে সমৃদ্ধ।  মহেন্দ্রলাল সরকার, রাজেন্দ্রলাল মিত্র, বিদ্যাসাগর, কেশবচন্দ্র সেন, গুরুদাস ব্যানার্জী, আশুতোষ মুখার্জী, চুণীলাল বসু,  সুরেন্দ্র নাথ ব্যানার্জী, প্রমথনাথ বসু, জগদীশচন্দ্র বসু, প্রমুখ বহু বঙ্গভাষীর শ্রম রয়েছে এখানে। সিভি রমন, মেঘনাদ সাহ-দের মতো বহু বিজ্ঞানী এই প্রতিষ্ঠানকে ও দেশকে গৌরবে ভূষিত করেছেন বিশ্বে। 

সেখানে ভারত সরকারের মিনিস্ট্রি অফ হোম এফিয়ার্স. ডিপার্টমেন্ট অফ অফিসিয়াল ল্যাঙ্গুয়েজ থেকে নির্দেশ এসেছে যে এই প্রতিষ্ঠানের কাজকর্ম হিন্দিতে করতে হবে। যেভাবে এসেছে তাতে বঙ্গভাষী হিসেবে অত্যন্ত বেদনাবোধ করি। কারণ তা বঙ্গভাষীর অবদানকে উদ্ধত্যের সঙ্গে উপেক্ষা করার বার্তা বহন করছে।  প্রশ্ন ওঠে -এই উদ্যোগ কেন? জ্ঞানানুশীলনে তো প্রতিষ্ঠানটির কোনো সমস্যা হয়নি এ যাবৎ। তবুও ভাষার ওপর আঘাত কেন? তাহলে কি নতুন জাতীয় শিক্ষানীতি-২0-র প্রয়োগ শুরু হল?  কারণ সেখানে মাতৃভাষার উল্লেখ থাকলেও কৌশলে হিন্দি ভাষার আধিপত্য বিস্তারের নানা কৌশলী আয়োজন স্পষ্ট হয়েছে।  

বাংলাভাষা বহুদিন উপেক্ষিত থেকেছে বাংলায়, ব্রাহ্মণ্যবাদ ও ইসলামী শাসনযন্ত্রের জাঁতাকলে অর্গলবদ্ধ হয়ে পড়েছিল । বাঙালীরা নিজেরাই অর্গল মুক্ত করেছে নতুন মনীষার আলোকে। কারুরই কোনো অবদান নেই সেখানে। বাঙালীর আত্ম-অনুশীলনের নিজস্ব সম্পদ তার ভাষা,  ভাবনা নতুন যুগের সংস্কৃতি। তার প্রতি এই উপেক্ষা কেন? 

এছাড়াও নির্বাচনের মুখেই এটি সামনে রেখে ঘোষণা কেন? বর্তমান রাজ্যে প্রশাসনিক জটিলতা আর লকডাউনের পরিকল্পনাও প্রবল। অন্যদিকে মোহগ্রস্ত বঙ্গসন্তানসন্ততিরা লাভলোকসানের বিলাসে ভেসে যুক্তিহীন নির্বাচনী রাজনীতির অলীক-কুনাট্যে এখন মজে আছে। রোড শো আর মারামারি আর কুতর্কে। সেই সুযোগের সদ্ব্যবহার নয়তো? 

আমাদের মনে রাখতে হবে বাংলায় এই ভাষানীতি প্রয়োগে সফল হলে শিক্ষানীতির উদ্দেশ্য অনুসারে অন্যান্য সব মাতৃভাষাভাষীদের ওপর হিন্দির এই ভাষিক-সাম্রাজ্যবাদের আধিপত্য জগদ্দল পাথরের মতো চেপে বসবে গোটা দেশে। এ চলতে দেওয়া যাবে কি? ‘আমার ভায়ের রক্তে রাঙানো একুশে ফেব্রুয়ারি’-র অকাল বোধন দরকার হবে না তো?  একদেশ, একভাষা, একধর্ম, একসরকার, একদল, একপ্রশাসন – এই সব পরিত্যক্ত নীতির বলি হবে কি সুনীতিবাবুর ভারতীয় জাতি-সত্ত্বার প্রধানভিত্তি – harmony of contrast. বৈসাদৃশ্যের ঐকতান?  গাইবো না কি ‘আ মরি মায়ের ভাষা ?’

হোলি মিলন সমারোহ: ঝাড়খন্ড বাঙালি সমিতি, দেওঘর শাখা

 নমস্কার

   ২৭ ৩ ২০২১ ‌ শনিবার সন্ধ্যা ৬.৩০ রাজনারায়ণ বোস লাইব্রেরী তে ঝাড়খন্ড বাঙালি সমিতি দ্বারা এক হোলি মিলন সমারোহ আয়োজন করা হয়েছে অতয়েব এই সভায় আপনাদের উপস্থিত একান্তই  কাম্য ।

        আমরা এই হোলি মিলনে প্রতিবছরের মত মুখ রোচক ব্যেনজন এর আয়োজন করা হয়েছে অতয়েব আপনাদের কাছে একান্ত অনুরোধ আপনারা সকলে আসুন মনে রাখবেন সন্ধ্যা ৬.৩০ স্থান লাইব্রেরী ।

            ধন্যবাদ আপনাদের 

             বিকাশ মিত্র (সচিব)

         ঝাড়খন্ড বাঙালি সমিতি, দেওঘর শাখা

অবুঝ মন ---- শঙ্খ শুভ্র চক্রবর্তী

 অবুঝ মন 

***

কলমে ---- শঙ্খ শুভ্র চক্রবর্তী


শান্ত আমার হূদয় আজি ,ক্লান্তী আমার চোখে ,

আঁধার এসে কখন যেন ভীড় করেছে মনে | 

কালো রাতের সিঁড়ি বেয়ে, 

আকাশ আমায় দূরে নিয়ে যায় ,

বন্ধ চোখের অতল তলায় .

হারানো শৈশব খুঁজে পায় |

স্বজন কতো হারিয়ে গেছে ,

বন্ধুরা সব দূরে গেছে ,

নির্জনতা  সঙগী হয়ে নীরবতার হাত ধরেছে |

বন্ধ চোখের ও পারেতে ছুট মারি খালি পায়ে , সবূজ ঘাসের আলতো ছোঁয়ায়, 

ছেলেবেলা ডাক দিয়ে যায় l

বাউলের একতারাটা সূর তুলেছে প্রাণের পাড়ে,

সময়ের  খেয়া হৃদয় কূলে,

জানিনা কখন এসেছে ভুলে,

মন যে আমার পাগলপারা,

আমার আমিত্ব, নিজেতে মত্ত,

বাউন্ডুলে মন মানে না,বৃথাই ভেবে মরে l///


*******


 বিহার বাঙালি সমিতি পূর্ণিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই গুরত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের আন...