Tuesday, August 18, 2020

Protest against the false death anniversary of our great national leader and hero Sri Netaji Subhas Chandra Bose

 Protest against the false death anniversary of our great national leader and hero Sri Netaji Subhas Chandra Bose.

Inbox

x

samar nath ghosh <ghosh.samar7@gmail.com>

7:03 PM (1 hour ago)

to me

I Samar Nath Ghosh on behalf of all people of West Bengal State strongly opposed the false information based death anniversary of Netaji Subhas Chandra Bose. There is no sufficient evidence that our great national leader Netaji Subhas Chandra Bose died by plain crashes. These are all got up cruel drama of late PM Jawaharlal Neharu and his party. Nehru know very well that if Netaji Subhas Chandra Bose return back to India then not possible for me to become Prime Minister of India. So they spread rumors about the false aeroplane crash and death of Subhas Chandra Bose. Regarding the matter several enquiry commission formed but no one came to any conclusion, moreover Justice Monoj Mukherjee Commission formed by then PM Atal Behari Bajpai clearly said that that day no such Aircraft accident happened in Taihaku Airport. So my dear friend of JMM and Jharkhand BJP leaders and organiger before going to celebrate such please study sufficient and enquired. Please postponed all of this rabish program. Thanks  and Salute to our great national leader Netaji Subhas Chandra Bose 

 

Mahasay, Netajee Mritu bepar ta akhun o promanito hoyni, taty Mritu din palon korar ame tibbro birodhi O protibad janacchi, Dhanybad,🙏 Subir Bose, " Bose Bhawan" Dumka Town Jharkhand INDIA 🇮🇳

Inbox

x

SUBIR BOSE <subirbose47@gmail.com>

 

Debashis Mishra

Friend

9 hrs ·  · नेताजी सुभाष की पुण्यतिथी कब से मनाने लगे है सब ? उनकी कोई खबर आज तक नही मिली ...

35Jitendar Mandal, Joy Mojumder and 33 others

17 comments

Certificate of Excellence: BAB Bhagalpur Branch

 

বিহার বাঙালি সমিতির ভাগলপুর শাখা : ছাত্র-ছাত্রীদের প্রোৎসাহিত

 

বিহার বাঙালি সমিতির ভাগলপুর শাখার তরফ থেকে মাধ্যমিক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ ১২জন বঙ্গসন্তান ছাত্র-ছাত্রীদের প্রোৎসাহিত করার জন্য একটি মোমেন্টো, সার্টিফিকেট ও পেন দিয়ে তাদের বাড়িতে গিয়ে সমিতির বয়স জেষ্ঠ সদস্যদের দিয়ে আশীর্বাদ সহ  দেওয়া হয়।

 












BA Muz Subhasish Bose: সকলকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা। ওদের আগামী দিনগুলি যেন হোয় উঠুক আরো অনেক সুন্দর ।

BA Anjan Sen: ভাগলপুর সাখার দারুণ কাজ নতুন নতুন ভাবে বাঙালি সমিতি কে লোকের মাঝে তুলে ধরছেন দারুণ কাজ ছাত্র ছাত্রীদের ও অনেক অনেক ধন্যবাদ   

anjan sen joint sec,   cent, comm, patna

BA Kishanganj Chittaranjan Sharma Treasurer: উত্তীর্ণ সকল ছেলে মেয়েদের জানাই আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন এবং আগামীর জন্য আশীর্বাদ ।

BA Kishanganj Chittaranjan Sharma Treasurer: ভাগলপুর শাখা সব সময়ের মত আবার আমাদের নতুন করে উদ্দীপনা জাগাবার এবং গর্ব বোধ করার কাজটি করল।

শাখার প্রত্যেক সাথী কে এর জন্য হৃদয় থেকে ধন্যবাদ সহ অভিনন্দন জানাই।

BA Lalganj Narayan Ch Das: জানাই আগামী দিনের শুভকামনা ।

BA Purnia Achinta Bose: Congratulations..

 


বিহার বাঙালি সমিতি: ভাগলপুর শাখার কার্যকারিণী সভা

 বিহার বাঙালি সমিতি: ভাগলপুর শাখার কার্যকারিণী সভা

১৭ই অগাস্ট ২০২০ বিকেল ৫টায় দুর্গাচরণ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে বিহার বাঙালি সমিতির ভাগলপুর শাখার কার্যকারিণী সভা অনুষ্ঠিত হয়। এই বৈঠকে আয় ব্যয়ের হিসেব ও অডিট রিপোর্টে কোষাধ্যক্ষ পেশ করে যা সর্ব সম্মতিক্রমে পাশ করা হয়।  


এই কোরানা মহামারী অসময় বিপদে অক্সিজেন সিলিন্ডার ব্যবস্থার জন্য যারা সাহায্য করেছেন (রত্না মুখার্জি , অমিতা মৈত্র, সোমনাথ সরকার, বঙ্গীয় সাহিত্য পরিষদ, অনুময় চৌধুরি, ডাঃ শঙ্কর, সুভাষ সংঘ, সুপানি মুখার্জি। তাঁদের সমিতির তরফ থেকে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করা হয়।


   শরৎচন্দ্র জয়ন্তী উপলক্ষে একটি ওয়েবিনার বা অনলাইন লাইভ করার সিদ্ধান্ত গৌতম সরকারের প্রস্তাবে নেওয়া হয়। এর জন্য একটি সাব কমিটির গঠন করা হয়।

            শেষে শোক প্রস্তাব গৃহীত হয় ও রাষ্ট্রীয় গান গেয়ে মিটিংয়ের সমাপ্তি ঘোষণা করা হয়।

প্রতিবেদক – জয়জিৎ ঘোষ, সম্পাদক, ভাগলপুর শাখা

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোস

নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোস

আজ ১৮ আগস্ট সকাল থেকে সোশ্যাল মিডিয়াতে নেতাজী সুভাষচন্দ্র বোসের প্রয়াণ দিবস দাবী করে প্রচার চলছে। জে এম এম নেতা ও মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সরেন, বিজেপির নেতা ও পূর্ব মুখ্যমন্ত্রী রঘুবর দাস, এম এল এ সমীর মহন্ত, জামশেদপুর পশ্চিমের সংখ্যালঘু মোর্চার কর্মকর্তা হিদায়তুল্লা খান সোশ্যাল মিডিয়াতে নেতাজীর প্রয়াণ দিবস দাবী করে সর্ব সাধারণ কে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন। এই কর্মকর্তারা ১৯৪৫ সালের আজকের দিনে জাপানের তাইহুকু বিমান বন্দরে বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যুর ঘটনার প্রচার চালালেন। 


দেশের প্রথম প্রধানমন্ত্রী পন্ডিত জহরলাল নেহেরু, বিশ্ব বরেণ্য নেতাজী সুভাষ চন্দ্র বোস’কে জীব্বদশায় যমালয়ে পাঠিয়ে সিংহাসন দখল রাখার পাকাপাকি ব্যবস্থা করেছিলেন। নেহেরুজী নেতাজীর মৃত্যু রহস্য নিয়ে দুইটি কমিশন গঠন করেন। সাহনাবাজ কমিশন ও খোশলা কমিশন। সাহনাবাজ ও খোশলা দুইজনই আজাদ হিন্দ ফৌজ এর সৈনিক ছিলেন। বিশ্বের ইতিহাসে এটি একটি নজিরবিহীন সিদ্ধান্ত। কোন দেশে সৈনিককে কমিশনের অধ্যক্ষ করা হয়না। ওই দুইটি কমিশনের রিপোর্টে বিমান দুর্ঘটনায় নেতাজীর মৃত্যুর কথা বলা হয়। তবে মিস্টার নেহেরু নেতাজীর মৃত্যুর উদ্ভট সিদ্ধান্তকে ঘোষণা করার সাহস পাননি। পরে প্রধানমন্ত্রী মুরারজি দেশাই ওই দুইটি কমিশনের মনগড়া রিপোর্ট খারিজ করে দেন। প্রধানমন্ত্রী অটল বিহারী বাজপেয়ী নেতাজীর মৃত্যু রহস্য নিয়ে গঠন করেন মুখার্জি কমিশন। ওই কমিশনের রিপোর্টে বিমান দুর্ঘটনার দাবিকে খারিজ করে দেন। মুখার্জি কমিশনের রিপোর্টে বলা হয়েছে ১৯৪৫ সালের ১৮ আগস্ট তাইহুকু বিমান বন্দরে কোন প্লেন নামেনি। কেন্দ্র সরকার আজ পর্যন্ত নেতাজীর প্রয়াণ দিবস ঘোষণা করেনি। অথচ বিনা কোন তথ্যের ভিত্তিতে জে এম এম ও বিজেপি ১৮ আগস্ট নেতাজীর প্রয়াণ দিবস বলে প্রচার চালাল। বিষয়টি দুঃখজনক ও লজ্জা জনক, একটি বড় সড় চক্রান্ত।।                      

প্রতিবেদক - গৌতম চট্টোপাধ্যায়, দুমকা।

স্বাধীনতা তোমাকে খোলা চিঠি: রিমা দাশ, দিল্লি

 স্বাধীনতা তোমাকে খোলা চিঠি

রিমা দাশ, দিল্লি

 · 

বছরের বিশেষ বিশেষ এক একটা দিনে ভীষণ ভয় করতে থাকে। ভয়টা তার উচ্ছাসের আবেগের জোয়ার মোবাইলে সামলাই কী করে। এত এত মানুষের দেশপ্রেম দেশভক্তি সাং বৎসর কোথায় যে লুকনো থাকে কেজানে। বিদেশ না গেলে এখন সমাজে কল্কে পাওয়া যায়না। ক'জন ঘরের কাছে আরশিনগর হিমাচলের ছাতরারি গ্রামে ঘুরতে যায়? পাহাড় থেকে সমতলের ঢালে শীতকালে যেখানে দু'পাশ জুরে শুধু হলুদ আর হলুদ- সর্ষে ক্ষেতে ভরা। জ্বালা, এই দৃশ্য অনুধাবন করতে গেলে অকৃত্তিম হতে হয়। গ্র্যান্ড ক্যানিয়ন বোল্লেই আমেরিকা ছাড়া আর কিছু হয় নাকি! গড়বেতার গ্রান্ড ক্যানিয়ন দূরও তো SC/ST. যাক সেসব কথা আজ স্বাধীনতার চুয়াত্তর বছর। চাট্টি খানিকথা। এই বৃদ্ধ সংখ্যায় মোড়া দেশকে আমি বড় ভালোবাসি বিপুল জনসংখ্যার চাপে পরিবেশ দূষিত। বড় চিন্তা আমার তাকে নিয়ে। তাই মাঠেঘাটে একটা চারাগাছও লাগাই না। অথচ বৃক্ষরোপণের কত কথা বলি। ছেলে যখন ছোটো তার বেগ পেলে অবলীলায় প্যান্টের চেন খুলে হয় দেওয়ালে নয়তো কোনো গাছের গোড়ায় নয়তো রাস্তার একপাশে বলি "করে এসো" বড়বেলার হাতে খড়ির বীজ স্বভাবে বপন করে দিই। আমি বড় ভালোবাসি নিজের দেশকে। কত কষ্টে বিপ্লবীরা স্বাধীনতা অর্জন করে তাকে " জননী জন্মভূমি শ্চস্বর্গাদপি গিরিয়সী" করে তুলেছে। তাদের ফটো তোরঙ্গে যত্নে থাকে। গুরুত্বপূর্ণ দিনে সেই মহামানব ফুলে চন্দনে চর্চিত হয়ে গৃহস্থের দেশপ্রেমের ডেডিকেশনের মাত্রা বাড়ায়। বাকী সময় ঐ বন্দিজীবন। মৃত মানুষের প্রতীকী করে যে ডেডিকেশন দেখান যায় তাও বুঝে ওঠা হয়না। আমি বড়ভালোবাসি আমার দেশকে। ওই তিনরঙকে। তাইতো স্যান্ডুইচের ডিজাইন বানাই। শাড়ি, সালোয়ার- কামিজ, কুর্তা পাজামার ফ্যাশন স্টেটমেন্টের অংশীদার হই। তাই শপিংমলে বিদেশী ব্র্যান্ডের দোকানে ঢুকে কেনাকাটা সারি। বাড়ির সামনের ফুটে স্বাধীনতাত্তোর দেশে যে ভিখারিটা থাকে জলভাতের মতো তাকে প্রতিদিন দেখি। দুমুঠো খাবার দেবার কথা কখনো ভাবিনা। আমি বড় ভালোবাসি নিজের দেশকে। কাতারে কাতারে মানুষ অনাহারে দাবার ঘুটির রাজার চালে পথেঘাটে মরে। কপর্দক শূণ্য হয়ে পাড়ি দেয় পায়ের তলার মাটি খুঁজতে। আমি ড্রইংরুমে বসে বিশাল বড়ো রঙিন টিভিতে ডেভিড্রফের পেয়ালায় চুমুক দিয়ে বলি কী দরকার ছিল নিজের জায়গা ছেড়ে অন্য ভুঁইয়ে ঠাই নেবার। নুন্যতম পেটের দানাপানির তাগিদে সেই ভারতবাসীর টেবিল টেনিসের পিংপং বলের অবস্থা আমি ভাবলেশহীন চোখে দেখতে থাকি। সেই ভালোবাসায় আটকে থাকে কৃত্রিম নোনাজল। একটু মেয়েবেলায় বড় হলে শুনতাম তোর বাবামা তোকে বন্ধুদের সাথে একা সিনেমা দেখার স্বাধীনতা দেয় ? জীবনের দ্বিতীয় ইনিংসে শুনি (এই মাঝ বয়সেও) তোর বর কি ভালো তোকে/তোমাকে বাইরের পুরুষদের সাথে কথা বলার অনুমতি দেয়, সবজায়গায় যাবার স্বাধীনতা আছে অনেক মাথা খাটিয়েও উদ্ধার করতে পারিনা সেই কথার অর্থ। যতদূর জানি আমি তো পরাধীন নই, স্বাধীন ভারতবর্ষে জন্ম গ্রহণ করা এক স্বাধীন মত চেতনা প্রকাশে স্বাধীন নাগরিক। স্বাধীনতা আমার জন্মগত অধিকার। তারজন্য বাবা-মা কিংবা স্বামীর বা রাষ্ট্রের কাছে কেন ঋণী হব। তবেকি স্বাধীনতা শুধুই একটা শব্দ! চুয়াত্তর বছর পেরিয়ে সে কী শুধু কিছু দেশাত্মবোধক গান, বিপ্লবীর ফটোতে মাল্যদান, ভাষণ আর বর্তমানে মোবাইলে সকাল থেকে মেসেজের আদান প্রদান? জানতে চাই, উত্তর কোথাও নেই। তাই আপতত অপেক্ষা রাতভোর হবার।

 

Sunday, August 16, 2020

কোন শব্দ নেই: দেবাশীষ মিশ্র, জামতাড়া

 কোন শব্দ নেই

এ শহর থমকে
আমি প্রাণপনে
চিৎকার করি
প্রতিধ্বনি কোথায়
সবাই কি নিশ্চুপ !
মুখে কি কুলুপ আঁটা
মৃত্যুর আগেই মরে গেছ
কে শাসন করে তোমাদের ?

স্বাধীনতা দিবস: বিহার বাঙালি সমিতি, বরারী শাখা

 

বিহার বাঙালি সমিতি, বরারী শাখা আজ নিজেদের নিশুল্ক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে ছাত্র, ছাত্রী, স্থানীয় লোকজন ও পদকর্তারা এক সাথে স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে কোভিড এর সরকারী নিয়ম পালন করে পতাকা উত্তোলন করেন। উপস্থিত ছাত্র ও ছাত্রীরা জাতীয় সঙ্গীত এবং দেশ ভক্তি গান গেয়ে শোনায়।

আজ ভাগলপুর এর সদর এস ডি ও, নিজ বাসভবনে পতাকা উত্তোলন এর জন্য শহরের গণ্য মান্য ব্যক্তিদের আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তাহাদের মধ্যে বিহার বাঙালি সমিতি, বরারী শাখার প্রেসিডেন্ট শ্রী তরুণ ঘোষ মহাশয়কে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন এবং তিনি পতাকা উত্তোলন এর সময় উপস্থিত ছিলেন যা বরারী শাখার কাছে খুব আনন্দ এবং গর্বের বিষয়।

প্রতিবেদন - তাপস ঘোষ, যুগ্ম সচিব ও শ্রী সুবোধ কুমার ভৌমিক, ভাইস প্রেসিডেন্ট, সেন্ট্রাল কমিটি, পাটনা।


হরিসভা স্কুল ও বীণা কনসার্ট ক্লাব, মুজজ্ফরপুর এ স্বাধীনতা দিবস: শুভাশীষ বোস

 



হরিসভা স্কুল ও বীণা কনসার্ট ক্লাব, মুজজ্ফরপুর এ স্বাধীনতা দিবস পালন করা হয়।

 বিহার বাঙালি সমিতি পূর্ণিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই গুরত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের আন...