Wednesday, September 9, 2020

রক্তদান: অমিত দাস (লালগঞ্জ, পূর্ণিয়া)

ভগুয়া কোলা, রোটা, নিবাসী শংকর দাসের রক্তের প্রয়োজন ছিল , বাঙালি সমিতি সদস্য  অমিত দাস ( লাল গঞ্জ) রক্ত দিয়ে সহযোগিতা করলেন, অমিত ভাই কে সমিতির পক্ষ থেকে অনেক অনেক ধন্যবাদ জানাই।


প্রতিবেদক - নারায়ণ চন্দ্র দাস

বিদ্যাসাগর দ্বিশতজন্মবার্ষিকী উৎসব



 





বিদ্যাসাগর দ্বিশতজন্মবার্ষিকী উৎসব


 

বিদ্যাসাগর দ্বিশতজন্মবার্ষিকী: বড়জাগুলী, হরিণঘাটা, নদীয়া


 

শহীদ ক্ষুদিরাম বোস

 

শহীদ ক্ষুদিরাম বোস

শহীদ ক্ষুদিরাম বোস স্মারক সমিতির সেক্রেটারি আশুদেব মাহাতো সোমবার সারায়কেল - খারশোয়া জেলার ডেপুটি কমিশনার ইকবাল আনসারী সঙ্গে দেখা করে চন্ডিলের কান্ডরা চকে শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের আবক্ষ মূর্তি পুন প্রতিষ্ঠার বিষয়ে লিখিত আবেদন দিয়েছেন। ২০১৯ সালে শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের প্রয়ান দিবসের দিন চন্ডিলের তৎকালীন এস ডি ও ওই স্থান টি কে বিবাদিত বলে আবক্ষ মূর্তিটি উপড়ে দেন। মূর্তিটি এস ডি ও কোথায় রেখেছেন স্মারক সমিতির সদস্য ও রাজ্যের ক্ষুদিরাম বোস অনুরাগীরা সেই বিষয়ে অন্ধকারে আছে। রাজ্যের একটি ভাষা সংগঠন সেই সময় থেকে মূর্তিটি পুনঃ প্রতিষ্ঠা করার দাবি করে আসছে। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে, মুখ্যমন্ত্রী, রাজ্যপাল, প্রধানমন্ত্রী ও রাষ্ট্রপতির কাছে বিষয়টি তুলে ধরে মূর্তি পুনঃ প্রতিষ্ঠার দাবি করে। রাজ্য সরকারের গ্রাম উন্নয়ন ও আবাস বিভাগের এডিশনাল সেক্রেটারি চন্দন কুমার বিষয় টির নিষ্পত্তি করার জন্য ডেপুটি কমিশনার কে চিঠি দিয়েছেন। ডেপুটি কমিশনার গত সপ্তাহে স্মারক সমিতির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। ডেপুটি কমিশনার এর আদেশে শনিবার সারায়কেলার এস ডি ও বসারত কয়ুম  স্মারক সমিতির সদস্য দের সঙ্গে আলোচনা করে ক্ষুদিরাম বোস চকের ওই স্থান টি কে বিবাদিত বলে অন্য কোন জায়গা কে নির্ধারিত করে সোমবার লিখিত আবেদন দিতে বলেন । বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতির স্টেট সেক্রেটারি গৌতম চট্টোপাধ্যায় এর সঙ্গে আশুদেব মাহাতো আলোচনা করে সোমবার ডেপুটি কমিশনার কে লিখিত আবেদন দিয়ে জানিয়েছেন ২০১৬ সাল থেকে সমিতি এখানে প্রয়ান দিবস পালন করছে, কোন বিবাদ হয়নি।প্রশাসন যদি অন্যত্র মূর্তি প্রতিষ্ঠা করার অনুমতি দেয় সমিতি মেনে নেবে। তবে সমিতি ক্ষুদিরাম বোস চকে কোন রাজনৈতিক দলের নেতার আবক্ষ মূর্তি প্রতিষ্ঠা করার তীব্র বিরোধিতা করবে। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতি স্মারক সমিতির সিদ্ধান্ত কে সমর্থন করেছে।

 প্রতিবেদন – গৌতম চট্টোপাধ্যায়, দুমকা

প্রয়াত: রামায়ণ প্রসাদদা

                                               প্রয়াত: রামায়ণ প্রসাদদা


গভীর দু:খের সঙ্গে জানাই আমাদের সকলের প্রিয় কাছের মানুষ ও সমিতি পূর্ণিয়া শাখার সহ সভাপতি শ্রী রামায়ণ প্রসাদদা গতকাল রাতে আমাদের সকলকে ছেড়ে না ফেরার দেশে চলে গেলেন। তাঁর এই আকস্মিক প্রয়াণে আমরা শোকস্তব্ধ।

রামায়ণদা ছিলেন সর্বদা হাসিখুশী, সক্রিয় প্রাণবন্ত মানুষ। তিনি ছিলেন SBI Pensioners Association এর DGS.

Youth Hostel Association of India বিহার রাজ্য সমিতির কোষাধ্যক্ষ।

এখনও বিশ্বাস হচ্ছে না রামায়ণদা আমাদের মধ্যে নেই।

তাঁর চির শাশ্বত আত্মার শান্তি কামনা করি। শোকসন্তপ্ত পরিবার ও নিকটজনদের জানাই গভীর সমবেদনা।

শোকস্তব্ধ

অজয় সান্যাল

রাণা কর্মকার, মুজফরপুর:  ওম শান্তি

পরেশ কুমার মুখার্জী: খুবই দুঃখজনক খবর,ওনার আত্মার শান্তি কামনা করছি।

সুভাষ চন্দ্র মিত্র, ছাপড়া: ওঁ শান্তি

জয়জিৎ ঘোষ, ভাগলপুর: ভাগলপুর শাখার তরফ থেকে ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি ও পরিবারবর্গের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাই।

চিত্তরঞ্জন শর্মা, কিশনগঞ্জ: ভগবানের কাছে উনার আত্মার শান্তি কামনা করি ও উনার পরিবারের জন্য আন্তরিক সমবেদনা।

প্রণব দাস, ফরবেশগঞ্জ: ঈশ্বরের কাছে প্রার্থনা করি যেন ওনার আত্মার শান্তি হোক।

তরুণ ঘোষ (সভাপতি), বরারী শাখা, ভাগলপুর:

শ্রী রামায়ণ বাবুর আকস্মিক প্রয়াণে আমরা শোকাহত। বরারী শাখার তরফে গভীর সমবেদনা যানাই ।ওনার পবিত্র আত্মার চির শান্তি প্রার্থনা করি। পরিবারের সদস্য ও প্রিয়জন শিঘ্র স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসার কামনা করছি।                

।। শান্তি ।।                         

BA Kishanganj Asish Ghosh: গত রাতে খবরটা পেয়েছি, রামায়নদা আমাদের সকলের অত্যন্ত কাছের একজন প্রিয় মানুষ হঠাৎ এভাবে চলে যাবেন ভাবতে পারছি না গত সপ্তাহে ওনার সাথে কথা হয়েছিলো।

ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি।

কিশনগঞ্জ শাখার পক্ষ থেকে ওনার আত্মার শান্তি কামনা করি শোকাহত পরিবারজনেদের  জানাই গভীর সমবেদনা।

এছাড়া সমিতির অন্যান্য সদস্যগণও শোক প্রকাশ করেছেন – সুবোধ ভৌমিক, রত্না মুখার্জী, অতুল কৃষ্ণ দাস, নারায়ণ চন্দ্র দাস, শবরিতা দাস।

 

Monday, September 7, 2020

শ্রদ্ধাঞ্জলি: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

 শ্রদ্ধাঞ্জলি: সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়

                                    দেবাশীষ মিশ্র

প্রিয় সুনীল জী

আপনাকে মনে পড়ে

কারণ আপনি মনে পড়ার মত কিছু নন

কিন্তু আমার মনের আকাশ

সেখানে তীব্র আকাঙ্ক্ষা

বাতাসে শ্বাস গ্রহণ

সবকিছু আপনার স্বপ্ন

আঁকা হয়েছিল

তখন আমি সেই নবীন কিশোর

আমিও অপারগ সেই সৈনিক

যেতে পারেনি যুদ্ধে

শুধু ভাবতে ভাবতে এলোমেলো

হয়ে গেল নিজস্ব জীবন

সাধ্যহীন চালচুলো হীন

যা কিছু পায় শক্ত মুঠোয়

ধরে দেখে এত ফস্কে যাওয়া

সৈকত বালুকনা !

সব হারানোর পরেও সুনীল জী

বন্ধনহীন জীবন ভাবতে শিখিয়েছিলে

বড্ড ঋণী করে রেখেছো

আমার প্রিয় সুনীল জী !

 

Sunday, September 6, 2020

শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের আবক্ষ মূর্তি প্রতিষ্ঠার বিষয় নিয়ে সারায়কেলার এস.ডি.ও. স্মারক সমিতির সভাপতি ও সেক্রেটারির সঙ্গে আলোচনা।

 সারায়কেলার এস.ডি.ও. বসারত কইয়ুম 05.09.20 (শনিবার) শহীদ ক্ষুদিরাম বোসের আবক্ষ মূর্তির পুন প্রতিষ্ঠার বিষয় নিয়ে স্মারক সমিতির সভাপতি মনোজ ভার্মা, সেক্রেটারি আশুদেব মাহাতো ও সমিতির অফিস সেক্রেটারি অনন্ত কুমার মাহাতোর সঙ্গে দীর্ঘ আলোচনা করেন। এর পূর্বে সারায়কেলা-খারশোয়ার ডেপুটি কমিশনার ইকবাল আনসারি শহীদ ক্ষুদিরাম বোস স্মারক সমিতির প্রতিনিধিদের সঙ্গে চন্ডিলের কান্ডরা মোড়ের ক্ষুদিরাম বোস চকের আবক্ষ মূর্তি উপড়ে নেওয়ার অভিযোগের বিষয়ের আলোচনা করেন।

 


 বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতি, ঝাড়খন্ডের সেক্রেটারি গৌতম চট্টোপাধ্যায় এর অবদানের ভিত্তিতে নগর উন্নয়ন ও আবাস বিভাগের এডিশনাল সেক্রেটারি চন্দন কুমার সারায়কেলা-খারশোয়ার ডেপুটি কমিশনার’কে বিষয়টির আশু নিষ্পত্তি করার অনুরোধ করেন। ডেপুটি কমিশনার এর আদেশে এস ডি ও শনিবার সমিতির সদস্যদের সঙ্গে আলোচনা করেন। বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতির সেক্রেটারি জানিয়েছেন এস.ডি.ও. সোমবার লিখিত বক্তব্য রাখার অনুরোধ করেছেন। সমিতির পক্ষ থেকে স্মারক সমিতির সভাপতি ও সেক্রেটারি কে নিজেদের মধ্যে আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার কথা বলা হয়েছে। রবিবার আলোচনা করে সোমবার সমিতির সিদ্ধান্ত এস.ডি.ও. কে জানান হবে।

 

 

 

Saturday, September 5, 2020

শিক্ষক দিবস: দুর্গাচরণ উচ্চ বিদ্যালায়, ভাগলপুর


 

শিক্ষক দিবস: রাষ্ট্রীয় শিক্ষক পুরস্কার: ঈশিতা দে, জামশেদপুর

শিক্ষক দিবস: রাষ্ট্রীয় শিক্ষক পুরস্কার: ঈশিতা দে, জামশেদপুর

শিক্ষক দিবস উপলক্ষে সেরা শিক্ষক শিক্ষিকাদের প্রত্যেক বছর পুরস্কৃত করেন রাষ্ট্রপতি। এবছর সেরা শিক্ষিকা'র পুরস্কার পেলেন জামশেদপুরের বঙ্গ সন্তান শ্রীমতি ঈশিতা দে। এবছর অনলাইনের মাধ্যমে সেরা শিক্ষক পুরস্কার অনুষ্ঠান হয়েছে। প্রতিবছর এই দিনটিকে স্মরণে রেখে সারা দেশের শ্রেষ্ঠ শিক্ষকদের হাতে রাষ্ট্রীয় পুরস্কার তুলে দেন রাষ্ট্রপতি। কিন্তু এ বছর করোনা আতঙ্কে অনলাইনেই সেই অনুষ্ঠান পর্ব করা হয়েছে। স্বাধীনতা দিবসের দিনই প্রধানমন্ত্রী মোট ৪৭ জন শিক্ষকের নাম ঘোষণা করেন। সেই ৪৭ জন শিক্ষক এদিন অনলাইনেই থেকেই অনুষ্ঠানে যোগদান করেছিলেন। পূর্ব সিংভূম জেলার  জেলা শাসক দফতরে তাঁর হাতে ডিডিসি ও জেলা শিক্ষা অধিকারী মেডেল ও প্রশস্তি পত্র তুলে দেন। 



ঈশিতা দে জামশেদপুরের এগ্রিকো তারাপুর স্কুলের ভাইস প্রিন্সিপাল। রাষ্ট্রপতির হাত থেকে পুরস্কার  নেওয়ার আক্ষেপ থাকলেও পুরস্কার প্রাপ্ত শিক্ষিকা  ঈশিতা দে জানিয়েছেন, এটি তাঁর জন্য গর্বের বিষয়। পুরস্কার এখানে পাওয়া বা রাষ্ট্রপতি ভবনে পাওয়ার বিষয়টি বিবেচ্য নয়, আমি সম্মানের জন্য নির্বাচিত হয়েছি সেটাই গুরুত্বপূর্ণ। এমন সম্মান কাজের প্রতি দায়িত্ব ও কর্তব্য আরও বাড়িয়ে দেয়।

প্রতিবেদক: চিত্রদীপ ভট্টাচার্য্য, জামশেদপুর 


 বিহার বাঙালি সমিতি পূর্ণিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই গুরত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের আন...