Monday, March 22, 2021

মাস্টারদা সূর্য সেন

 

দিলীপ সেনগুপ্ত, পূর্ণিয়া



শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করি।

ভাবতে ভাল লাগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে

জিন্নাহ হলের নাম মাস্টারদা সূর্য্য সেন হল করা হয়।

একটি আবেদন জানাই গ্রুপে যদি কেউ 

বীর সন্তান সূর্য্য সেন সম্পর্কে কিছু লেখেন,কিছু জানান তাহলে ভাল লাগবে।

অজয় স্যানাল

তবু মনে পরে: শঙ্খ শুভ্র চক্রবর্তী

 কবিতা দিবস উপলক্ষে এই কবিতাটি আমি পোস্ট করলাম♣️


 শিরোনাম----তবু মনে পরে 

********

কলমে ---শঙ্খ শুভ্র চক্রবর্তী 


হঠাৎ আকাশের বুকে মেঘ তার কালো পরদা টেনে দিয়েছিলো l

পুরানো গ্রামোফোনটা বেজে চলছিলো এক ভাবে l

বাইরের আবহাওয়া আর কর্দমা লিপ্ত পথ সেদিন  খুবই অচেনা লাগছিলো, 

বুকের ভেতরে চলছিলো 

এলোপাথাড়ি যন্ত্রণার ঝড়  l

 থেকে থেকে চমকে উঠেছিলাম 

মেঘের গুরু গর্জ্জনে  l

উঠোনের এক কোনে বেড়ে ওঠা পলাশের গাছটা যেন নিঃশব্দে বিদ্রুপ করে চলছিলো, 

সামনের নুইয়ে পরা 

শিউলি গাছটার দিকে তাকিয়ে l

গ্রামোফোনটা কখন যে বাজতে বাজতে থেমে গিয়েছিলো, 

পুরানো স্মৃতির অতল তোলে ডুবে থাকা আমি বাস্তবের কঠীন দেওয়াল টপকে আসতে পারি নি l

বৃষ্টির রেশ মনে হয় বেড়েছে,, 

হয়তো সারারাত ধরে পরবে অঝোরে  l

আজ তোমার কথা খুব মনে পড়ছিলো, 

আজ তুমি যদি থাকতে গ্রামোফোনটা হয়তো নিজের থেকে বন্দো হয়ে যেতো না l

শিউলি ফুলের গাছটা 

অবহেলায় নুইয়ে পরতো না l

ঝরে পরা বৃষ্টির জলের প্রত্যেকটা বিন্দু 

হৃদয় মাঝে   আনতো জোয়ার, 

তোমার গানের সুরে সুরে l//

==================

বাংলা ভাষা শিক্ষা: ঝাড়খন্ড

 ঝাড়খন্ড রাজ্যে ১১ টি জেলায় বাংলা মাতৃভাষী মানুষ বৃহত্তম সংখ্যায় বসবাস করেন,পূর্ববর্তী সময়ে শহর-গ্রামে পঠন-পাঠন বাংলা বিদ্যালয় ,কলেজ গুলিতেই হতো কিন্তু  অজানা শক্তির প্রচেষ্টায়  আজ বাংলা ভাষা শিক্ষা সহ সরকারি অফিসে , রেল স্টেশন সহ গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ফলক গুলোও লুপ্ত হয়ে যাচ্ছে।রাজ্যের সংখ্যালঘু আয়োগে সভাপতি-সহসভাপতি পদ বিগত বহু বছর ধরে বঙ্গ সমাজের থেকে বঞ্চিত আছে।


আজ ১৯ শে মার্চ,শুক্রবার,২০২১ বাংলা ভাষা শিক্ষা পুনঃরায় শুরু করা ও অধিকার প্রাপ্তির জন্য গঠিত সংযুক্ত মঞ্চ " ঝাড়খন্ড বাংলা ভাষা সংরক্ষণ সমিতি " র পক্ষ থেকে ঝাড়খন্ড বিধানসভায় রাজ্যের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী হেমন্ত সোরেন সহ সম্মানীয় বিধায়ক শ্রী সঞ্জীব সর্দার (পোটকা),শ্রী মঙ্গল কালিন্দী (বিধায়ক,জুগসালাই),শ্রী সমির মহান্তি (বিধায়ক,বহরাগোরা),শ্রী সর্যু রায় (বিধায়ক,জামশেদপুর পূর্ব) ,শ্রীমতি সবিতা মাহাতো (বিধায়ক,ইচাগর) সহ একাধিক সম্মানীয় বিধায়কদের দাবি পত্র তুলে দেওয়া হয় এবং বঙ্গ সমাজের সকলের প্রিয় ও বিস্বাসস্থল  শ্রী সুপ্রিয় ভট্টাচার্য মহাশয়ের সাথে সাক্ষাৎ করে অত্যন্ত প্রয়োজনীয় আলোচনা করা হয়।



মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী শ্রী হেমন্ত সোরেন মহাশয় আশ্বাস দিয়েছেন দাবি গুলি গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করে ইতিবাচক নেবেন।




একটি আবেদন: কাটিহার শাখা

 একটি আবেদন


স্মরণাতীত কাল থেকে কাটিহারে বাংলা খবরের কাগজ আসছে। কোরোনা পরিস্থিতির জন্য গত এক বছর থেকে এটা বন্ধ আছে। 

আমাদের সংস্থার মুখ্য উদ্দেশ্য বাংলা ভাষার প্রচার ও প্রসার। খবরের কাগজ বাংলা ভাষা চর্চা  করার এক হাতিয়ার হিসেবে সাহায্য করে। 

কাটিহারে আনন্দবাজারের    dealer এর সাথে সংস্থার তরফ থেকে আবার কাগজ আনানোর জন্য অনুরোধ করা হয়েছিল। Dealer এর বক্তব্য যদি কম পক্ষে 100 জন মাসিক ক্রেতার তালিকা আমরা দিতে পারি তবেই সে এ ব্যাপারে আনন্দবাজারের সাথে কথা বলবে। 

সংস্থার তরফ থেকে সকল সদস্যের কাছে অনুরোধ সবাই এগিয়ে আসুন এবং আনন্দবাজারের মাসিক ক্রেতা হউন। 

ইচ্ছুক ক্রেতারা নিজেদের নাম, পাড়া/এলাকা ও মোবাইল নম্বর এই গ্রুপে দিন এবং প্রতিবেশী/পরিচিতদেরও অনুরোধ করুন। আপনার প্রতিবেশী ও পরিচিতরা যদি আমাদের সংস্থার Whattsapp গ্রুপের সদস্য হিসেবে না থেকে থাকেন তবে তাকে যোগদান করান বা আপনি তার নাম ঠিকানা লিখে পাঠান। 

ব্যক্তিগতভাবে মনোজ দত্ত (লাল্টু) র সাথে মোবাইল নম্বর 6201732445 এ যোগাযোগ করা যেতে পারে। 

                   নিবেদক

     বিহার বাঙালি সমিতি             

             কাটিহার শাখা

কাটিহার শাখার পক্ষ থেকে এই গ্রুপে "একটি আবেদন" পড়লাম। 

এই উদ্যোগকে অনেক সদস্য স্বাগত জানিয়েছেন ও এই উদ্যোগকে সাফল্যমন্ডিত করতে সক্রিয় হয়েছেন। সকলকে কেন্দ্রীয় সমিতির পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

সমিতির মুখপত্র "সঞ্চিতা" যা আগস্ট ২০২০ পর্যন্ত সফ্টকপি ই-মেইল ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে পোস্ট করা হয়েছিল। তারপর আর কম্পোজ করা হচ্ছে না। ইংরেজি ভাষায় প্রকাশিত পত্রিকা "বিহার হেরাল্ড" নিয়মিত সফ্টকপি পাঠানো হয়।

সমিতির এই দুটো সংবাদ মাধ্যম নিয়ে আপনাদের মতামত ও সক্রিয়ভাবে অংশগ্রহণ করতে অনুরোধ জানাই।

সমিতির ইউটিউব চ্যানেলে আজ পর্যন্ত  মাত্র ৩৫৯জন সাবস্ক্রাইবার হয়েছেন। সমিতির বিভিন্ন শাখার হোয়াইটওয়াপ গ্রুপ ২০টা। যার সদস্য সংখ্যা ১০০০এর বেশি। সমিতির ইউটিউব চ্যানেলকে সাবস্ক্রাইব করতে কেবলমাত্র ই-মেইল থাকতে হবে। এতে কোন টাকা লাগে না। ১০০০জন সাবস্ক্রাইবার হলে তাহলে ইউটিউব চ্যানেল সমিতিকে কিছু টাকা দেবে। এ বিষয়ে সদস্যদের অনীহা কেন? আজ পর্যন্ত বুঝতে পারলাম না। জানিয়ে বাধিত করতে অনুরোধ জানাই।

সকল শাখাকে বারবার আবেদন জানিয়েছি, মে কোন অনুষ্ঠান করলে তার ভিডিও বানিয়ে পাঠাতে। এ বিষয়েও সহযোগিতা পাচ্ছি না। কি করব বা কি করা উচিৎ, তা ভেবে দেখতে আপনাদের কড়জোড়ে অনুরোধ জানাই।


বিনীত

সুনির্মল দাশ


৯৪৩০২৯৭৫১৪

আনন্দ বাজার পএিকা পাঠ করা মানে বাঙালি বা বাঙালিওনা নয়, যদি কেউ.... বা কোনো (Association, trust, organization) সফল ভেবে নিজের কাজ করে, তা হলে..... আজ এই দিন আমাদের দেখতে হোত না।


94300 39479: আজ বাঙালীর এই হালের জন্য শুধু কোন সংস্থাকে দোষ দিয়ে লাভ নাই। দোষী আমরা। দোষী আমাদের পলায়ন মনোবৃত্তি। আমরা কখনই দলবদ্ধ ভাবে বাঁচতে চাইনা। দলীয় স্বার্থে নিজের ক্ষুদ্র স্বার্থ আমরা বিসর্জন দিতে পারি না। একের বিপদে সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দিতে পারিনা। আজ আমরা রামকৃষ্ণ মিশনের বাঙলা মাধ্যমে শিক্ষার সুবিধা হারিয়ে ফেলেছি তার জন্য আমরা অবিভাবকরাই দায়ী। বিহার সরকারী স্কুলগুলোতেও আগে বাংলা ছিল আজ নেই কারন আমরা চাইনি আমাদের ছোটরা বাংলা পড়ুক। শুধুমাত্র রবীন্দ্র জয়ন্তী আর নববর্ষে দুটো নাচ গান আর মিষ্টি বিতরন দিয়ে বাঙালির কল্যাণ সম্ভব নয়। আজ পশ্চিমবঙ্গ, যেখানে আমরা সংখ্যাগুরু সেখানেও বাংলা ভাষার কোন কদর নেই আমাদের সাহেবী মানসিকতার জন্য। আজ এই আনন্দবাজার পত্রিকা নিয়ে যে প্রয়াস শুরু হয়েছে তা শুধুমাত্র এই জন্য সমর্থন যোগ্য যে বাড়িতে বাংলা পত্রিকা আসলে বাড়িতে যে সাহেবজাদী বা সাহেবজাদারা উত্সাহিত হয়ে একটু বাংলা পাঠ শুরু করলেই বঙ্গ ভান্ডারে যে বিবিধ রতন আছে তার সন্ধান তারা পাবে। তখন তারা হয়তো নিজেরাই বাংলা বই পড়তে সচেষ্ট হবে।

আগে যখন বাংলা মিডিয়ামে পড়াশোনা চলত তখন এইভাবেই বাংলা পত্রিকার সাথে ইংরেজি পেপার বাড়ীতে  রাখা হত ইংরেজি ভাল শেখার জন্য।

সমিতির স্থাপনা দিবস উপলক্ষে স্বাস্থ্য পরীক্ষা: পাটলীপুত্র শাখা


 

Thursday, March 18, 2021

অধ্যাপক দয়াময় মিত্রের অবসর গ্রহণ অনুষ্ঠান

 সাড়ম্বরে পালিত হল, আপগ্রেড হাইস্কুল কুমিরদহার অবসর প্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক দয়াময় মিত্রের অবসর গ্রহণ অনুষ্ঠান । মঙ্গলবার বিদ্যালয়ের বর্তমান ভারপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক প্রকাশ দাসের নেতৃত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে শিক্ষা বিভাগের আধিকারিক, ঝাড়খন্ড শিক্ষা পরিকল্পনা, স্থানীয় বুদ্ধিজীবী ও সাধারণ মানুষের ঢল নামে । দয়াময় বাবু এখানে দীর্ঘ নয় বছর প্রধান অধ্যাপক পদের কাজে আলাদা ছাপ ছেড়েছেন । উনি ২০১১ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত এখানে মাতৃভাষায় শিক্ষার বিষয়ে বিশেষ গুরুত্ব দেন ।বিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত প্রধান অধ্যাপক প্রকাশ দাস উত্তরীয় দিয়ে দয়াময় বাবু কে সম্মানিত করেন , সেই সঙ্গে উনার কাজের ধারাবাহিকতা কে বজায় রেখে শিক্ষক ধনপতি পাল ও সুশান্ত ঘোষ বাংলা ভাষায় ছাপা মানপত্র পাঠ করেন । অধ্যাপক প্রকাশ রাষ্ট্রপতি পুরস্কারে সম্মানিত অবসর প্রাপ্ত শিক্ষিকা ভারতী চট্টোপাধ্যায় কে ও উত্তরীয় দিয়ে সম্মানিত করেন । ভারতী রানিগ্রাম মধ্য বিদ্যালয় থেকে ৩১ জানুয়ারি ২০২০ অবসর নিয়েছেন । এর পূর্বে ভারতী ১৯৮১ সাল থেকে ১৯৯৯ দীর্ঘ ১৯ বছর এই স্কুলে শিক্ষকতা করেন । বিদায় অনুষ্ঠানে, বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতি, ঝাড়খণ্ডের সম্পাদক গৌতম চট্টোপাধ্যায়, ময়ূরাক্ষী গ্রামীন ডিগ্রি কলেজের অধ্যক্ষ ড. আব্দুল রইস খান, ব্লক এডুকেশন এক্সটেনশন আধিকারিক রাজীব রঞ্জন শিক্ষক সুশান্ত ঘোষ ,ভারত সেবাশ্রম সংঘ দুমকা শাখার স্বামী নিত্যব্রতা নন্দ মহারাজ ,বক্তব্য রাখেন । 


বক্তব্য রাখেন গৌতম চট্টোপাধ্যায় ।

মঙ্গলবার ১৬ মার্চ কুমিরদহা আপগ্রেড হাই স্কুলে প্রধান অধ্যাপক এর বিদায় অনুষ্ঠানে মাতৃভাষা তে প্রারম্ভিক শিক্ষার বিষয় নিয়ে সরব হলেন বক্তারা ।

দয়াময় বাবু কে সম্মানিত করেন বর্তমান অধ্যাপক প্রকাশ দাস ।

ভারতী চট্টোপাধ্য়ায় মহাশয়াকে সম্মানিত করেন প্রকাশ দাস ।




স্কুলের ছাত্রী ও ভারত সেবাশ্রম সংঘের ছাত্র রা নৃত্য ও গীত পরিবেশন করে আলাদা মাত্রা এনেদেয় । ভারতী দয়াময় বাবুর উদ্দেশে স্বরচিত গান পরিবেশন করেন । অনুষ্ঠান টি বাংলাময় হয়ে যায় ।  গৌতম নিজের বক্তব্যের রেশ টেনে নুতন শিক্ষা নীতি তে মাতৃভাষায় প্রারম্ভিক শিক্ষার অনিবার্যতা ও বাংলা মাধ্যমে শিক্ষার বিষয়ে শিক্ষক ও বিভাগের আধিকারিক দের গুরুত্ব দিতে অনুরোধ করেছেন ।মঞ্চ সঞ্চালন করেন অধ্যাপিকা প্রেমলতা ও গরিমা ।

প্রতিবেদন - গৌতম চট্টোপাধ্যায়

Monday, March 15, 2021

আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উদযাপন: সমস্তিপুর শাখা


 সমস্তিপুর শাখায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস BHTC হলে উদযাপন।







খেলার সামগ্রী বিতরণ: বিহার বাঙালি সমিতি, পূর্ণিয়া শাখা

গতকাল (১৫.৩.২০২১) বিহার বাঙালি সমিতি পূর্ণিয়া শাখা দ্বারা  D.S.C গ্রাউন্ডে :- সিটি ক্রিকেট ক্লাব এর সদস্যদের কে Sports Goods (খেলার সামগ্রী) বিতরণ করা হয়। সমিতির রাজ্য সহ-সভাপতি- অচিন্ত্য বোস,মিঠুন দাস, সজল দাস এবং হরিদাস নেতৃত্বে অনুষ্ঠানটি সম্পন্ন হয়। এই উদ্যোগকে সফল করার জন্য সহযোগিতা করেছেন - সর্বশ্রী রাজা দাস, অভিজিৎ দত্ত, মীনাক্ষী সিন্হা,  ববি দাস, প্রসেনজিৎ দাস, তপন কুমার দাস, নারায়ন চন্দ্র দাস, গৌরব দাস, শংকর দাস এবং রাহুল দাস। সমিতির পক্ষ থেকে সকল সদস্যদের ধন্যবাদ জানাই।







প্রতিবেদন - নারায়ণ চন্দ্র দাস

রক্তদান: শ্রী শঙ্কর দাস


গত ১৩.৪.২০২১শে বিহার বাঙালি সমিতি, পূর্ণিয়া শাখার সদস্য শ্রী শঙ্কর দাস  (বেলোরী ) থ্যালাসেমিয়া রোগে গ্রস্ত ব্রজেস ঠাকুর (সিফাহী টোলা) কে o+ রক্ত দিয়েছেন। শ্রী ব্রজেস ঠাকুরের স্বাস্থ্য কামনা করি এবং শংকর দাস'কে সমিতির পক্ষ থেকে অসংখ্য ধন্যবাদ জানাই এই মানবিক কাজের জন্য।




প্রতিবেদন - নারায়ণ চন্দ্র দাস

                   রক্তদানের জন্য শ্রী শংকর দাসকে কেন্দ্রীয় সমিতির পক্ষ থেকে আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা জানাই।

সুনির্মল দাশ, সাধারণ সম্পাদক

 বিহার বাঙালি সমিতি পূর্ণিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই গুরত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের আন...