Saturday, September 5, 2020

রোটারি ক্লাবের শব বাহন: পরিচালনা: বিহার বাঙালি সমিতি, ভাগলপুর শাখা

 রোটারি ক্লাবের শব বাহন: পরিচালনা: বিহার বাঙালি সমিতি, ভাগলপুর শাখা

আজ রোটারি ক্লাবের দ্বারা শব বাহন নেওয়া হয়েছে যা বিহার বাঙালি সমিতিকে এর পরিচালনায় করার দয়িত্ব দেওয়া হলো। দুর্গাচরণ উচ্চ বিদ্যালয় প্রাঙ্গনে এই অনুষ্ঠান উভয় পক্ষের  সদস্যদের উপস্থিতিতে হস্তান্তরিত হয়। আমাদের অধ্যক্ষ ডাঃ রত্না মুখার্জি ও রোটারির অধ্যক্ষ এর  এগ্রিমেন্টে সাইন করেন। সমিতির সমাজিক কাজের আর একটি পদক্ষেপ।






Friday, September 4, 2020

শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে একটি বিনম্র আবেদন

 শিক্ষক দিবসের প্রাক্কালে একটি বিনম্র আবেদন

আমরা জানি ৫ ই সেপ্টেম্বর দিনটি শিক্ষক দিবস হিসেবে পালিত হয় সারা দেশে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি সর্বপল্লী রাধাকৃষ্ণণ মহাশয়ের জন্মদিন হিসেবে।তাতে খুব একটা আপত্তি না জানিয়ে বলি আমাদের অক্ষর পিতা বিদ্যাসাগর, দয়ার সাগর ও বিশেষণে ভূষিত পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের জন্ম দিন ১২ ই আশ্বিন বিশেষ আমাদের রাজ্যে শিক্ষক দিবস হিসেবে পালন করতে পারি অনায়াসে।


গতবছর পন্ডিত মহাশয়ের দ্বিশত জন্ম দিনে অর্থাৎ ১২ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ দক্ষিণ কলকাতা স্থিত শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় মহাশয়ের বাসভবনে একটি অনুষ্ঠানে একটি সাংস্কৃতিক সংস্থার অনুষ্ঠানে সিদ্ধান্ত হয় যে আগামী বছর মানে এবছর থেকে তারা অনেকের মতো ১২ ই আশ্বিন দিনটি বিশেষ করে এই বঙে "শিক্ষক দিবস" হিসেবে পালিত হবে।

বাংলার নবজাগরণের অন্যতম পথৃকিৎ, শিক্ষাবিদ গবেষক, অন্ধ কুসংস্কার এর বিরুদ্ধে লড়া মানুষটি আজও সেই অর্থে যোগ্য সন্মান পায় নি, বিশেষ করে আমরা ভারতীয় তথা বাঙ্গালীরা দিতে পারিনি তা। কতো বিশিষ্ট জনদের জন্ম বা মৃত্যু দিন বিশেষ দিন হিসেবে পালিত হয় কিন্তু আমাদের মহা দুর্ভাগ্য যে এই আত্ম মর্যাদা সম্পন্ন পুরুষ,জেদী, ইংরেজদের সঙ্গে আপসহীন সংগ্রামী মানুষটি তাঁর দিশত জন্মবর্ষেও সেই অর্থে আজো যোগ্য সন্মান পায়নি।

অনেকের মতো আমিও ১২ ই আশ্বিন শিক্ষকদিবস পালন করব স্বতঃস্ফূর্তভাবে।

আন্তর্জাতিক বাংলা ভাষা সংস্কৃতি সমিতি শিলিগুড়ি শাখার তরফে আমাদের দাবী ১২ আশ্বিন তারিখটি এখন থেকে "শিক্ষকদিবস "হিসেবে পালিত হোক পশ্চিমবঙ্গে অবশ্যই। এই কৃতি মানুষটির জন্য অবহেলা অপমান ছাড়া কিছুই জোটেনি জীবিত থাকতে এমনকি মরে গিয়েও, দেরীতে হলেও পাপের প্রায়শ্চিত্ত একটু করে এইভাবে করার চেষ্টা করি।

এটি সংবাদ হিসেবে প্রচারিত হলে বাধিত হবো। ঝাড়খন্ডের চক্রধরপুর বাংলা সাহিত্য-সংস্কৃতি সঙসথা গতবছর তাঁর জন্মদিনে এমন ই সিদ্ধান্ত নিয়েছে যার সাথ আমরা একশ শতাংশ সহমত। আরও আরও মানুষের সহযোগিতায় দরকার।

ধন্যবাদ সহ সজল কুমার গুহ সম্পাদক আন্তর্জাতিক বাংলা ভাষা সংস্কৃতি সমিতি শিলিগুড়ি শাখা।

পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের দ্বিশত জন্মবর্ষ উপলক্ষ্যে: রঙ্গীন ক্রোড়পত্র: আন্তর্জাতিক বাংলা ভাষা সংস্কৃতি সমিতি শিলিগুড়ি শাখা

পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর মহাশয়ের দ্বিশত জন্মবর্ষ উপলক্ষ্যে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ আন্তর্জাতিক বাংলা ভাষা সংস্কৃতি সমিতি শিলিগুড়ি শাখার তরফে একটি রঙ্গীন ক্রোড়পত্র প্রকাশিত হতে যাচ্ছে করোনার এই ভয়াবহ পরিস্থিতিতেও। সদস্যসদস্যা ও শুভানুধ্যায়ীদের থেকে দশ/ বার লাইনের কবিতা আহ্বান করা হচ্ছে আগামী ১০/৯/২০২০ মধ্যে এই নং এ (৯৬৭৯২১৩০১৫ বা sjlguha@gmail.com) পাঠাবেন দয়া করে, আশাকরি সহযোগিতা পাব।

কবিতার মধ্যেই ফুটে উঠুক তাঁর নানা কর্মকাণ্ড পরিচালনা

প্রয়াত কমরেড এ. কে. রায়: জাতীয় সম্মানে সম্মানিত করার দাবি

 প্রয়াত কমরেড এ. কে. রায়: জাতীয় সম্মানে সম্মানিত করার দাবি

বঙ্গবন্ধু নামক সংগঠনের পক্ষ থেকে শুক্রবার জামশেদপুর এর ডেপুটি কমিশনার এর মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি’কে স্মারকলিপি দিয়ে ঝাড়খন্ডের রূপকার প্রয়াত কমরেড এ কে রায়’কে জাতীয় সম্মানে সম্মানিত করার দাবি করেছে। কমরেড রায় তিন বার এম. এল. এ. ও তিন বার এম. পী. ধানবাদ থেকে নির্বাচিত হন। কয়লা অঞ্চলের কল্যাণ মুলক কাজ করেন। দেশের এক মাত্র নির্বাচিত প্রতিনিধি পেনশন নেওয়ার বিরোধী ছিলেন ও উনি কোন দিন পেনশন নেননি। আলাদা রাজ্য গঠনের আন্দোলন করেন জন মুক্তি মোর্চার মাধ্যমে। আগস্ট ২০১৯ এ বার্ধক্য জনিত কারণে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন।



মুখ্যমন্ত্রী রাঘুবর দাস মহাশয় বাম চিন্তাধারার নেতা কমরেড রায় এর রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় অন্তেষ্টি করান। মার্ক্স বাদী সমন্বয় সমিতির প্রতিষ্ঠাতা কম. রায় একজন বিশিষ্ঠ মজদুর নেতা ছিলেন। শুক্রবার ডি সি র সঙ্গে দেখা করেন বঙ্গ বন্ধুর প্রতিনিধি অভিজিৎ সরকার, বিনোদ দে, প্রদীপ প্রামানিক, স্বৰূপ ব্যানার্জি ,পথিক সেন, বাপ্পাদিত্য পাল, অনন্ত কুন্ডু, অমর্জিত ব্যানার্জি, প্রণব সরকার, উত্তান মুখার্জি, অনিত ভট্টাচার্য্য, সঞ্জীব আচার্য, নিতা সরকার, অপর্ণা গুহ ও রাজেশ রায় ।

প্রতিবেদক - গৌতম চট্টোপাধ্যায়, দুমকা।

স্মরণ সভা: পূর্ব রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়

স্মরণ সভা: পূর্ব রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়

দেওঘরের রাজনারায়ণ বসু গ্রন্থাগারে বৃহস্পতিবার (৩.৯.২০) সন্ধ্যায় পূর্ব রাষ্ট্রপতি প্রয়াত প্রণব মুখার্জি কে শ্রদ্ধাঞ্জলি দেওয়া হয়। গ্রন্থাগারের সভাপতি ডা. এন. সি. গান্ধী, সচিব পার্থ মুখার্জি, মিহির দাস, চারু চন্দ্র ব্যানার্জি, সুভাষ চন্দ্র চৌধুরী, বিকাশ মিত্র, অজিত ব্যানার্জি, মৌসুমী মুখার্জি, শঙ্কর সরকার, নন্দন চ্যাটার্জি, সুদীপ্ত সরকার, শম্ভু যাদব উপস্থিত ছিলেন। ডা. গান্ধী বলেছেন প্রণব বাবু ভারত বর্ষের রাজনীতির চাণক্য ছিলেন। উনি দীর্ঘ দিন নিখিল ভারত বঙ্গীয় সাহিত্য সম্মেলনে কর্ণধার ছিলেন। সাঁতাল পরগনা বিভাগের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল। ২০১৩ সালে দুমকা ও দেওঘরের অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন। রাজধানী রাঁচিতে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী রাঘুবর দাস এর অনুরোধে রবীন্দ্র ভবনের ভিত্তি প্রস্থ রাখেন।

প্রতিবেদক - গৌতম চট্টোপাধ্যায়, দুমকা ।


স্মরণ সভা: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়: বরারী শাখা

 

স্মরণ সভা: প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায়



৩ রা সেপ্টেম্বর, ২০২০ বিকেল ৫:৩০ টায় বিহার বাঙালি সমিতি বরারী শাখা দ্বারা পরিচালিত নিঃশুল্ক বিদ্যালয় প্রাঙ্গণে সমিতির পদকর্তারা, স্থানীয় লোকজন এবং ছাত্র-ছাত্রীদের নিয়ে আমাদের শ্রদ্ধেয় প্রয়াত রাষ্ট্রপতি শ্রী প্রণব মুখোপাধ্যায় এর স্মরণ সভা ভারত সরকারের এর কোভিড এর দিশা নির্দেশ মেনে আয়োজিত করা হয়। এই সভাতে স্বর্গীয় রাষ্ট্রপতির চিত্রের ওপর দীপ প্রজ্জ্বলন করে মাল্য অর্পণ করা হয়। সমিতির পক্ষ থেকে প্রত্যেক সদস্য এবং বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা পুষ্প অর্পণ করে। তাঁর স্মরণে দুই মিনিট মৌনতা পালন করা হয়। সভাতে উপস্থিত পদকর্তারা তাঁর স্মরণে নিজ নিজ বক্তব্য রাখেন। বিদ্যালয়ের ছাত্র ছাত্রীরা দেশ ভক্তি গান গায়। প্রণব মুখোপাধ্যায় মহাশয়ের ভারতীয় রাজনীতিতে অবদান অতুলনীয় এবং অকল্পনীয়। এই সভাতে বিহার বাঙালি সমিতির কেন্দ্রীয় কমিটির শ্রী তাপস ঘোষ এবং শ্রী সুবোধ কুমার ভৌমিক উপস্থিত ছিলেন। বরারী শাখার প্রেসিডেন্ট শ্রী তরুণ ঘোষ, কোষাধক্ষ্য শ্রী অসীম পাল, সম্পাদক শ্রী দুলাল সরকার, কনভেনার শ্রী অশোক সরকার, শান্তনু গঙ্গুলি, ডা. সমরেন্দ্র নাথ ভৌমিক, ভগবান রাজবংশী, শ্রীমতি কবিতা রাজবংশী এবং অন্যান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।

 প্রতিবেদন -  সুবোধ কুমার ভৌমিক, ভাইস প্রেসিডেন্ট, জোন - ২

 


Thursday, September 3, 2020

জয়ন্ত ঘোষ: বাংলাভাষী সংগঠনের এক নক্ষত্র

                    

      জয়ন্ত ঘোষ:  বাংলাভাষী সংগঠনের এক নক্ষত্র 

                                                                                                                                        

জামশেদপুর। নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের সাধারণ সম্পাদক জয়ন্ত ঘোষের প্রয়াণে বাংলাভাষী  মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এক কথায় বলা যেতে পারে বাংলাভাষী সংগঠনের এক নক্ষত্র পতন ঘটলো। ঝাড়খণ্ডের একাধিক বাংলা ভাষী সংগঠনের সাথে তিনি যুক্ত ছিলেন। ঝাড়খণ্ড বঙ্গভাষী সমিতি, জামশেদপুর বেঙ্গল ক্লাব, মিলনী সহ প্রমুখ।  নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের সাথে ওতোপ্রোতভাবে জড়িয়ে ছিলেন জয়ন্ত বাবু। ১৯৯৪ -৯৬ সালে কেন্দ্রীয় কার্যকরী সমিতি'র সহ সভাপতি নির্বাচিত হন। কেন্দ্রীয় মুখপত্র "সম্মেলনী"র সম্পাদকের দায়িত্ব পালন করেন ১৯৯৬-৯৮ এবং ২০০০-২০০২ সাল পর্যন্ত। ২০০২ সালেই জবলপুর অধিবেশনে সাংগঠনিক পুরস্কারে সম্মানিত হন জয়ন্ত বাবু।


২০০৪-২০০৮ কেন্দ্রীয় সাধারণ সচিবের দায়িত্ব পালনের পর পুনরায় কেন্দ্রীয় সহ সভাপতি রূপে নির্বাচিত হন। ২০১০ -২০১৪ তে নির্বাচিত কেন্দ্রীয় সাধারণ সচিবের পর আবার ২০১৪ -২০১৬ মনোনীত সাধারণ সচিবের দায়িত্ব পালন করেন নিষ্ঠার সাথে। ২০১৬-২০২০ তিনি ছিলেন নির্বাচিত সাধারণ সচিব।
বিভিন্ন জায়গায় তিনি সম্মানিত হয়েছেন বহুবার। তাঁর চারিত্রিক দৃঢ়তা ও সাংগঠনিক দক্ষতা ছিল প্রশ্নাতীত। প্রসঙ্গত উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে কর্মজীবন থেকে অবসরগ্রহণের পর কোডারমা শাখার সদস্যপদ ত্যাগ করে জামশেদপুর শাখার সদস্যপদ গ্রহণ করেন এবং স্থায়ীভাবে ঐ খানেই বসবাস শুরু করেন।
 

ঝাড়খণ্ডের চাইবাসা নিবাসী সহ নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি মনোজ সতপথী জানালেন, জয়ন্ত ঘোষের জীবনের ধ্যান-জ্ঞান ও ভালোবাসা  ধ্রুবতারাসম । জীবনের প্রায় পুরো সময় ও শক্তি তিনি নিখিল ভারতের  জন্য নিয়োজিত করে নিঃশেষ করে দিয়েছেন নিজেকে । ২০০১ ও ২০০৯ সালে চাইবাসার সর্বভারতীয় সম্মেলন এবং চক্রধরপুর, চাইবাসা, নোয়ামুন্ডিতে অনুষ্ঠিত আঞ্চলিক সম্মেলনগুলিকে সর্বতোভাবে সাফল্য মণ্ডিত করার পেছনে তাঁর সাহচর্য ও অবদান ছিল অপরিসীম। শতাব্দীর দ্বারপ্রান্তে পৌঁছনো এই সংগঠনকে নিয়ে তাঁর যে স্বপ্ন ছিল, তা ঐক্যবদ্ধভাবে পূরণের দায়িত্ব আজ আমাদের সকলের ।

মহারাষ্ট্রের নাগপুর নিবাসী সহ নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি  মন্দিরা গাঙ্গুলী জানালেন,  জয়ন্ত বাবুর সাথে ৩০ তারিখ দুপুরেও কথা বলেছি, তিনি আজ প্রাক্তন। প্রায় ২০ বছরের সম্পর্ক  একবাক্যে এতটুকুই বলতে পারি সংস্থার জন্য নিবেদিতপ্রাণ।  সকলকে সাথে নিয়ে চলার অদ্ভুত ক্ষমতা, দৃঢচেতা, স্পষ্টবক্তা এবং স্নেহময় মানুষ ছিলেন।

আসাম নিবাসী সহ  নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের কেন্দ্রীয় সহ-সভাপতি  বিধানচন্দ্র দেব রায় জানালেন, দক্ষ সংগঠক ছিলেন জয়ন্তদা । দিনের সর্বক্ষণ ব্যয় করতেন সম্মেলনের চিন্তায়। প্রতিটি শাখা ছিল তাঁর নখদর্পণে, যোগাযোগ রাখতেন সকলের সাথে নিয়মিত। গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছিলেন সকলের কাছে, আর অধিবেশনগুলির গুণগত মান উঠে এসেছিল এক উচ্চ মাত্রায় তাঁর অদ্ভুত ক্ষমতাবলে।

নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের পশ্চিম বঙ্গ রাজ্য সমিতির সচিব অনিল ধর জানালেন, সত্তরের দশক থেকে নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের সাথে যুক্ত। কিন্তু, জয়ন্তদা  আমার দেখা একজন অদ্বিতীয় সাধারণ সচিব। ১৮ বছর খুব কাছ থেকে দেখে বুঝেছি তাঁর দায়িত্ববোধ, শৃঙ্খলা পরায়ণতা আর ভুল স্বীকার করার মতো উদার মানসিকতা। কলকাতা বইমেলায় স্টল, আন্তর্জাতিক সম্মেলন, বই প্রকাশ ইত্যাদির মাধ্যমে নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের কার্যপরিধি আরও বিস্তৃত, প্রসারিত করে দিয়েছিলেন তিনি। মাস কয়েক আগে একসাথে কত পরিকল্পনা, কত স্বপ্ন। তাঁর এইভাবে চলে যাওয়া সত্যি অকল্পনীয়।

ঝাড়খণ্ডের চাইবাসা নিবাসী সহ নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের কেন্দ্রীয় আইনি পরামর্শদাতা মদনমোহন দরিপা জানালেন,  জয়ন্ত ঘোষ আজ আর আমাদের মধ্যে নেই ভাবাই যায় না। ঘনিষ্ঠতার সূত্রে ওকে খুব কাছ থেকে জানার সুযোগ হয়েছে। সম্মেলন অন্ত প্রাণ ছিল। ওর অবদান ব্যর্থ যেন না হয়, আর সম্মেলনের উত্তরোত্তর শ্রীবৃদ্ধি ঘটুক সকলের মিলিত প্রয়াসে এটাই হবে ওর প্রতি আমাদের সত্যিকারের শ্রদ্ধাঞ্জলি।


ঝাড়খণ্ডের রাঁচি নিবাসী সহ নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের
  আঞ্চলিক সমিতি' (বিহার, ঝাড়খণ্ড ও ওডিসা)  সভাপতি গৌতম ভট্টাচার্য জানালেন,  জয়ন্তদা আমাদের কাছে প্রেরণা স্বরূপ।সংস্থার শতবর্ষ উদযাপন নিয়ে তাঁর অপূর্ণ স্বপ্নকে বাস্তবে রূপায়ণ করতে আমরা বদ্ধপরিকর। যদিও জানি, জয়ন্তদার অভাব কখনো পূর্ণ হবে না।

নিউ দিল্লি নিবাসী সহ নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের  কেন্দ্রীয় কোষাধ্যক্ষ কনকেশ চক্রবর্তী জানালেন, নিউ দিল্লি কালীবাড়ির সাথে ২৮ বছর যুক্ত থাকাকালীনই জয়ন্তদার সাথে পরিচয়, পরে ঘনিষ্ঠতা। ব্যাঙ্গালোর অধিবেশনে কোষাধ্যক্ষ পদের দায়িত্ব গ্রহণ করি। একসাথে কাজ করতে গিয়ে পেয়েছি ওনার সুচিন্তিত পরামর্শ। সংস্থার জন্য ওনার অবদান সত্যি অবিস্মরণীয়। নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মেলনের শতবর্ষ উদযাপন নিয়ে ছিল ওনার অনেক স্বপ্ন, অনেক আশা। আফশোষ, দেখে যেতে পারলেন না।

জামশেদপুর নিবাসী সহ নিখিল ভারত বঙ্গ সাহিত্য সম্মিলনের টাটানগর শাখার সচিব শঙ্কর শূর জানালেন, সর্ব ভারতীয় সচিব জয়ন্ত ঘোষ মহাশয়ের প্রয়ানে আমরা টাটা নগর শাখা'র সদস্যরা অত্যন্ত ব্যথিত  ও শোকাহত। ২০১৮ সালের আঞ্চলিক সম্মেলন করার সময় ওনার সানিধ্য পেয়েছি খুব কাছ থেকে। আমাদের ছোট শাখা এত বড় অনুষ্ঠান কখনো করিনি কিন্তু জয়ন্ত দা এমন ভাবে পথ দেখিয়ে দিলেন  যেন মনে হলো কত সহজ কাজ।ওনার দিশা নির্দেশ ছাড়া এত বড় কাজ করতে পারতাম'ই না। অত্যন্ত সংগঠন প্রিয় ব্যক্তি ছিলেন। সংগঠনের ভালোর জন্য উনি যা ইচ্ছে করতে পারতেন। ওনার শূন্য স্থান পূরণ হওয়া  মুশকিল। ওনার অভাব সব সময় অনুভব করব।

প্রতিবেদন - চিত্রদীপ ভট্টাচার্য্য 

Tuesday, September 1, 2020

পূর্ব রাষ্ট্রপতি ভারত রত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়

 পূর্ব রাষ্ট্রপতি ভারত রত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায়


২৯ এপ্রিল ২০১৩ দুমকার রাজভবনে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতির পক্ষ থেকে দেখা করে দাবী পত্র দিয়েছিলাম।

পূর্ব রাষ্ট্রপতি ভারত রত্ন প্রণব মুখোপাধ্যায় সোমবার দিল্লির সৈনিক হসপিটালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। ভারতীয় রাজনীতির চাণক্য অধ্যাপক প্রণব বাবুর সাঁতাল পরগনা বিভাগের সঙ্গে নিবিড় সম্পর্ক ছিল। ২৯ এপ্রিল ১৩ সিধু কানু মুর্মু বিশ্ব বিদ্যালয় এর সমাবর্তন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির আসন অলংকৃত করেন। ওই অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার পূর্বে দুমকার রাজ ভবনে বাংলা ভাষা ও সংস্কৃতি রক্ষা সমিতি ঝাড়খন্ডের স্টেট সেক্রেটারি রূপে দেখা করে রাজ্যের সংখ্যা গরিষ্ঠ জনগনের ভাষা সংস্কৃতির উন্নয়ন, রাজধানী রাঁচিতে রবীন্দ্র ভবন নির্মাণ, বাংলা একাডেমি কে সরকারি স্বীকৃতি, সমাজ সংস্কারক পণ্ডিত ঈশ্বর চন্দ্র বিদ্যাসাগরের কর্ম ভূমি কারমাটাড় এর নন্দন কাননকে জাতীয় স্মৃতিসৌধে উন্নিত করার সঙ্গে দুমকাতে হাই কোর্টের বেঞ্চ ও সিধু কানু মুর্মু বিশ্ব বিদ্যালয় এর বাংলা বিভাগের উন্নয়ন বিষয়ে দাবি পত্র দেওয়া হয়। রাষ্ট্রপতি ভবন থেকে আমাকে দেখা করার অনুমতি দিয়ে পাঁচ মিনিট সময় দেওয়া হয়। ওনার সঙ্গে আলোচনার সময় কখন আট মিনিটের বেশী সময় পেরিয়ে যায় বুঝতে পারিনি। ওনার সঙ্গে কথা বলার সময় মনে হয় বাড়ির অভিভাবক এর সঙ্গে কথা বলছি। জাতির গৌরব প্রণব বাবুর প্রয়াণ সমাজের অপূরণীয় ক্ষতি।

প্রতিবেদক – গৌতম চট্টোপাধ্যায়, দুমকা

বিদ্যাসাগর: শ্রদ্ধাঞ্জলি: ডা০ প্রদীপ কুমার দত্ত


 

বিহার বাঙালি সমিতি মোতিহারী শাখার সভা:মুখ্য অতিথি মাননীয় প্রমোদ কুমার, কলা, সংস্কৃতি ও যুব বিভাগের মন্ত্রী, বিহার সরকারের






আজ বিহার বাঙালি সমিতি মোতিহারী শাখার পক্ষ থেকে একটি সভার আয়োজন করা হয়। মুখ্য অতিথি রূপে উপস্থিত ছিলেন বিহার সরকারের কলা, সংস্কৃতি ও যুব বিভাগের মন্ত্রী মাননীয় প্রমোদ কুমার। বিহারের ১২ লক্ষ বাঙালিদের বিভিন্ন সমস্যা গুলি একটি  খোলা-পত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়।












 বিহার বাঙালি সমিতি পূর্ণিয়া শাখার নবনির্বাচিত কমিটির প্রথম বৈঠক সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। আজকের এই গুরত্বপূর্ণ সভায় উপস্থিত সকল সদস্যদের আন...